মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এলজিইডি’র প্রকল্প

বর্তমান সরকারের সাফল্য অর্জন

বর্তমান সরকারের দুই বছরের অর্জন সম্পর্কিত প্রতিবেদন

 

স্থানীয় সরকার বিভাগ

 

এলজিইডি

 

ক্রঃনং

প্রতিবেদন

মন্তব্য

 

রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা

(যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

১।

রূপকল্প ২০২

৭ (ঘ) খাদ্য ও পুষ্টিঃ  বর্তমান খাদ্য ঘাটতি পূরণ করে ২০১৩ সালের মধ্যে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে হবে।

 

নির্বাচনী ইশতেহার ২০০৮ঃ

৭ .১  সবার জন্য খাদ্য নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ২০১৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে পুনরায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করণ।

৭.৪ খাস জলাশয় ও জলমহাল প্রকৃত মৎস্যজীবীদের বন্দোবস্ত দেয়া হবে।

৮. সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে।

 

বর্ণিত রূপকল্প ও নির্বাচনী ইসতেহার বাস্তবায়নে এলজিইডিতে ৪ টি  প্রকল্প চলমান আছে।

·     ভূউপরিস্থ পানির ব্যবহার করে ৭৫ টি উপ-প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৪৫,০০০ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দুরীকরণ, পানি সংরক্ষণ, সেচ সুবিধা  ও সেচ এলাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

·     সুনামগঞ্জ জেলায় ‘‘সুনামগঞ্জ কমিউনিটি ভিত্তিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (SCBRMP)’’ প্রকল্পের  আওতায় বিগত দুই বছরে  ২৬১টি জলমহাল ৫৯৪৯ জন মৎস্যজীবী পরিবারকে সমাজভিত্তিক ব্যবস্থাপনার আওতায় ১০ বছরের জন্য লীজ দেওয়া হয়েছে।     

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে ১৯৯৯ সালে ‘‘জাতীয় পানি নীতি-১৯৯৯’’অনুমোদন করা হয়। এই পানি নীতিতে এলজিইডিকে ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন করার Mandateপ্রদান করা হয়। এই Mandate  বাস্তবায়নের জন্য ২০০৩ সালে এলজিইডিতে অস্থায়ীভাবে ‘‘সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিট’’গঠন করা হয়। অদ্যাবধি উক্ত ইউনিটের জনবল বৃদ্ধিসহ ইউনিটকে রাজস্বখাতে সৃষ্টি করা হয়নি। ফলে জাতীয় পানি নীতির  বাস্তবায়নসহ  বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

 

এলজিইডি’র সমন্বিত পানি সম্পদ ইউনিটটি রাজস্বখাতে সৃষ্টিসহ এই ইউনিটে প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল নিয়োগকরা জরুরী।   

২।

রূপকল্প ২০২১

 

৭ (ঝ) ভৌত  অবকাঠামোঃ  সড়ক, রেল, নৌ-যোগাযোগ......... ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করা হবে।

 

নির্বাচনী ইশতেহার ২০০৮ঃ

৭.৪ পল্লী উন্নয়নে নাগরিক সুযোগ সুবিধার পরিধি বিস্তৃত করা।

১৫.১ সড়ক নেটওয়ার্কে গ্রাম-ইউনিয়ন-উপজেলা ও জেলা সদরকে সংযুক্ত করার কার্যক্রম সম্পন্ন করা।

১৫.১ পরিবহন, সড়ক নির্মাণ, গৃহায়ন, বন্দর উন্নয়ন ও নির্মাণেউপযুক্ত নীতিমালা গ্রহণ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন করা।

 

বর্ণিত রূপকল্প ও নির্বাচনীইসতেহার বাস্তবায়নে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নে ৪৮টি এবং নগর অবকাঠামো উন্নয়নে ৫টি প্রকল্প চরমান আছে।

·     ৮,২৯০ কিঃমিঃ সড়ক নির্মাণ, ৪০,৫২০মিঃ ব্রিজ/কালভার্ট নির্মাণ, ৫৬৭টি গ্রোথ সেন্টার/ হাটবাজার উন্নয়ন, ৬২২টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া, ১৪,৭০০কিঃমিঃ সড়ক এবং ৩৫,২০০মিঃ ব্রিজ/ কালভার্ট রক্ষণাবেক্ষণ সমাপ্ত হয়েছে।

·     শহর অঞ্চল অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬৬ কি.মি নতুন সড়ক নির্মাণ,৩৯৪মিঃ ব্রিজ/ কালভার্ট নির্মাণ, ২৪৩কিঃমিঃ ড্রেন নির্মাণ,৩টি বাস টার্মিনাল ও ৩০টি টাউন সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮৭৬কিঃমিঃ সড়ক, ৭৫১মিঃ ব্রিজ/কালভার্ট এবং ১২৪কিঃমিঃ ড্রেন পুনঃনির্মাণ/ বন্যা পূর্নবাসন /রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে।

 

 

১) চলমান ৪০টি  প্রকল্পে অনুমোদিত ডিপিপি অনুযায়ী  বাজেট বরাদ্দ পাওয়া যায় নাই। ফলে কাংখিত অর্জন নাও  হতে পারে। উল্লেখ্য এলজিইডি থেকে এডিপিতে আরো  ১৭৫০.০০ কোটি অতিরিক্ত অর্থের  চাহিদা মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা কমিশনে দাখিল করা হয়েছে।

২) এলজিইডি’র মাধ্যমে ববৎসরিক এডিপি’র প্রায়  ১৮% ব্যয়িত হয়। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের তদারকি এবং মান নিয়ন্ত্রণে জনবলে ঘাটতি রয়েছে। এলজিইডি’র এক তৃতীয়াংশের চেয়েও কমএডিপি বাস্তবায়নকারী অন্যান্য প্রকৌশল সংস্থায় বিভাগীয় পর্যায়ে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এবং  বৃহত্তর জেলা পর্যায়ে তত্ত্বধায়ক প্রকৌশলীর কার্যালয়  থাকলেও এলজিইডিতে তা নেই।  ফলে মাঠ পর্যায়ে কাংখিত মানের মান নিয়ন্ত্রণ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

 (৩) এলজিইডি’র মাঠ পর্যায়ে সহকারী প্রকৌশলী/ উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী পদে এষনও ২৪২টি এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী/ নক্সকার পদে ৩৭৭টি পদ শুন্য আছে। ফলে মাঠ পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মকান্ডে যথাযথ গতিশীলতা আনয়ন এবং মাননিয়ন্ত্রণ করা দূরহ হয়ে পড়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

·     ১ম শ্রেণীর শূন্য পদসমূহ পূরণের জন্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে PSCতে প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে।

·     ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রকল্পে কর্মরত ১৩১ জন সহকারী প্রকৌশলীকে নিয়মিতকরণ করা হয়েছে।

 

 

 

 

এলজিইডি’র এই বিশাল কর্মকান্ডে সুষ্ঠু পরিকল্পনা, মনিটরিং, এবং বাস্তবায়নের জন্য  অঞ্চল/সদর দপ্তর পর্যায়ে সিনিয়র প্রকৌশলীদের পদসংখ্যা বৃদ্ধিসহ ইউনিট সমূহের পুর্নগঠন/ শক্তিশালীকরণ    প্রয়োজন।  

 

৩।

রূপকল্প ২০২১

২. রাজনৈতিক কাঠামো, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও গণঅংশায়নঃ

জেলা ও উপজেলার স্থানীয় সরকারকে স্বনির্ভর এবং স্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে।  

নির্বাচনী ইশতেহার ২০০৮ঃ

৬. স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা।

 

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ শক্তিশালীকরণের উদ্দেশ্যে দেশের ইউনিয়ন পরিষদসমূহের ভবন নির্মাণ কাজ ১৯৯৭ সালে শুরু হয়ে এ পর্যন্ত ২৩০০টি  নির্মিত হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্প এবং এলজিইডি’র আরো কিছু প্রকল্পের আওতায় চলতি অর্থ বৎসরে ৩৮৬টি ইউনিয়ন পরিষদের কাজ চলমান  আছে।

দেশের মোট ৪৫২০ টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে বাকী ১৮৩৪ টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে ‘‘ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্প (২য় পর্যায়)’’নামীয় একটি নতুন প্রকল্পের ডিপিপি তৈরী করা হচ্ছে। এছাড়া উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন সম্প্রসারণ প্রকল্প শীর্ষক একটি  প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

 

এছাড়া, ৩টি বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পের মাধ্যমে  ইউনিয়ন পরিষদের জন-প্রতিনিধিগণের প্রশিক্ষণ দান চালু আছে। 

 

বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট অপর একটি প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ১৩৩টি পৌরসভায় ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা চালু এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের কাজ চলমান আছে।     

বিগত দুই বছরে এলজিইডি ৬২২ টি ইউনিয়ন  পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করছে। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদ শক্তিশালীকরণে বিগত ২ বছরে  এলজিইডি নিম্নোক্ত কর্মসূচী  বাস্তবায়ন করেছেঃ

·    ৬২২টি ইউনিয়ন পরিষদে কম্পিউটার প্রদান ও ইউনিয়ন পরিষদ সচিবকে প্রশিক্ষণ প্রদান।

·    দেশের ৭২০টি ইউনিয়ন পরিষদের ৪৮৪০ জন জনপ্রতিনিধিকে ইউনিয়ন পরিষদের অফিস আর্থিক ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান।

·        দেশের ১৩৩টি পৌরসভাসমূহ শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে বিগত দুই বছরে ৩,১৪২ জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি/মেয়র, ১,৪৩০ জন প্রকৌশলী/ কারিগরি কর্মকর্তা ও ১,৫২০ জন অন্যান্য কর্মকর্তা/ কর্মচারী পৌরসভাসমূহের অবকাঠামো, অফিস ও অফিস ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

·        দেশের ১৩৩ টি পৌরসভাসমূহেDigital Pourashava Master Plan, Tax Management, Trade Licence, Accounting System,Water Billing  ইত্যাদি বিষয়েSoftware Development  ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে ।

দেশের সহস্রাধিক ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব পঞ্চাশ শতাংশ জমি না থাকায় এই সকল ইউনিয়ন পরিষদে ভবন নির্মাণ কাজ ব্যহত হচ্ছে। এই সকল ইউনিয়ন পরিষদগুলোর জন্য সরকারী খাস জমি বরাদ্দ করা গেলে অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভূমি অধিগ্রহণের ব্যবস্থা করা হলে সহজেই সকল ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ করা সম্ভবপর হবে।

 

 

৪।

রূপকল্প ২০২১

৭(ঞ) প্রতিটি ইউনিয়ন ও উপজেলায় গ্রোথসেন্টার কেন্দ্রিক পল্লী নিবাস গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হবে। 

নির্বাচনী ইশতেহার ২০০৮ঃ

৬. প্রতিটি ইউনিয়ন সদরকে স্থানীয় উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কর্মকান্ডের কেন্দ্রবিন্দু, পরিকল্পিত পল্লী জনপদ এবং উপজেলা সদর ও বর্ধিঞ্চু শিল্পকেন্দ্রগু-লোকে শহর-উপশহর হিসেবে গড়ে তোলা।

 

বর্ণিত রূপকল্প ও নির্বাচনী ইসতেহার বাস্তবায়নে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নে ৪৮টি এবং নগর অবকাঠামো উন্নয়নে ৫টি প্রকল্প চালু আছে

ইউনিয়ন সদর, উপজেলা সদরকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে এলজিইডি’র সড়ক নেটওয়ার্ক বিস্তৃতি বিষয়ে ‘২’নং  ক্রমিক বর্ণনা করা হয়েছে।

 

এলজিইডি’র উদ্যোগে ৪৩টি জেলা পর্যায়ের পৌরসভা এবং ২২৩টি উপজেলা পর্যায়ের পৌরসভার ডিজিটাল ভূমি ব্যবহার মাষ্টার প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলছে যা ২০১১ সালের মধ্যে সমাপ্ত হবে। ‘গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প   নামীয় একটি প্রকল্প ECNECএর অনুমোদনের পর্যায়ে আছে।

এছাড়া,City Region Development Project নামীয় ADB সাহায্যপুষ্ট একটি প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন করা হচ্ছে যা ২০১১-২০১৫ মেয়াদে     বাস্তবায়ন করা হবে। এই প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে প্রথম পর্যায়ে ঢাকা-খুলনা অঞ্চলে বর্ধিষ্ণ শিল্পকেন্দ্রগুলোকে পরিকল্পিত নগরায়নের আওতায় আনা হবে।

 

 

 

৫।

রূপকল্প ২০২১

 

৭(ক) মৌলিক চাহিদা পূরণ

৭(গ) দারিদ্র নির্মুল

৭(ঝ) ভৌত অবকাঠামো

 

নির্বাচনী ইশতেহার ২০০৮ঃ

১৮. ধর্মীয় সংখ্যালঘু, অনুন্নত সম্প্রদায় ও অনগ্রসর অঞ্চলের উন্নয়ন।

 

 

 

 

৫.১

১৮.২ পার্বত্য চট্টগ্রামের সুষম উন্নয়নের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচি গ্রহণ ও  বাস্তবায়ন করা হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের সুষম উন্নয়নের জন্য এলজিইডি’র ১টি প্রকল্প চালু আছে এবং  একটি প্রকল্প শেষ হয়েছে।

বিগত দুই বছরে এই দুইটি বিশেষ প্রকল্পের আওতায় ২৪৮ কি:মি: সড়ক, ১,৮৮০ মি: ব্রীজ নির্মাণ এবং৩৪০ কি:মি: সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে।

 

 

 

 

৫.২

১৮.২ অনগ্রসর অঞ্চলসমূহের উন্নয়নে বর্ধিত উদ্যোগ, ক্ষুদ্রজাতিগোষ্ঠী, আদিবাসী ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের সুষম উন্নয়নের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচী গ্রহণ ও        বাস্তবায়ন। 

 

আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবন যাত্রার মান ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এলজিইডি’র ২টি প্রকল্প সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন আছে।

আদিবাসী জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে রাজশাহী, ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ২টি আলাদা  প্রকল্প রাজশাহী বিভাগের জন্য সমতল আদিবাসীদের উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রকল্প, ঢাকা-সিলেট বিভাগের জন্য বন ভিত্তিক আদিবাসীদের উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রকল্প দুইটি অনুমোদিত হলে রাজশাহী, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের ২৫ লক্ষ  আদিবাসী জনগোষ্ঠীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং  প্রশিক্ষণ প্রদান করে তাদের উন্নয়নের মূল ধারায় আনার প্রচেষ্টা নেয়া  যাবে।

 

 

 

 

৫.৩

১৮.২ বস্তিসহ সকল অনগ্রসর অঞ্চলের মানুষের জীবনের মান উন্নয়নে অগ্রাধীকার দেয়া হবে।

 

বস্তিবাসীদের জীবন মান উন্নয়নের জন্যUNDP-র সহায়তায় ১টি প্রকল্প চালু আছে।

এলজিইডি, UNDPএর সহায়তায় বস্তিবাসীদের  জীবনযাত্রারমান উন্নয়নের জন্য ÒUrban Partnership for Poverty ReductionÓপ্রকল্প দেশের ৩০টি শহরে কাজ করছে। এই প্রকল্পের আওতায় ৪,৬৪,১৮৬টি বস্তি/ শহরতলীর দরিদ্র পরিবার উন্নয়ন, ১৭৬৮০টি সেনেটারী লেট্রিন ও ৩০৮৬টি নলকূপ স্থাপন করাহয়েছে।

উক্ত ৪,৬৪,১৮৬ টি বস্তি/ শহরতলীর দরিদ্র পরিবারের সমন্বয়ে কমিউনিটি ডেভলেপমেন্ট কমিটি(CDC) গঠন এবংSocial Enterprize Fund (SEF)এর মাধ্যমে বেকারদের কর্মসংস্থান, প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ সামগ্রিক উন্নয়নের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

 

 

 

 

৫.৪

১৮.২ চর অঞ্চলের মানুষের জীবনের মান উন্নয়নে অগ্রাধীকার দেয়া হবে।

 

চর অঞ্চলে র মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের জন্য এলজিইডি’র অন্যান্য নিয়মিত প্রকল্পের পাশাপাশি বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট ৩টি প্রকল্প চালু  আছে।

 

এলজিইডি’র অন্যান্য  নিয়মিত প্রকল্পের পাশাপাশি ৩টি  বিশেষ প্রকল্প। চরঅঞ্চল অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (MIDPCR),  কৃষি খাত সহায়তায় কর্মসূচী-২ (RRMAIDP) এবং  চর ডেভেলপমেন্ট এন্ড সেটেলমেন্ট  প্রজেক্ট-৩  (CDSP-III)] এর মাধ্যমে বিগত দুই বছরে চর অঞ্চলের উপজেলাগুলিতে ৪৪৮কিঃমিঃ সড়ক নির্মাণ, ৪২টি হাট-বাজার, এবং ১২টি ঘাট নির্মাণ করা হয়েছে।

 

 

 

৫.৫

১৮.২ হাওড় অঞ্চলের মানুষের জীবনের মান উন্নয়নে অগ্রাধীকার দেয়া হবে।

 

হাওড় অঞ্চলের মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের জন্য সুনামগঞ্জ জেলায় এলজিইডি’র একটি প্রকল্প চালু  আছে। এই প্রকল্পের সাফল্যের উপর ভিত্তি করে হাওড় অঞ্চলে  আরো ৫টি জেলায়IFAD  অর্থায়নে একটি নতুন প্রকল্প তৈরীর কাজ চলছে যা ২০১১-২০২০ সাল পর্যন্ত চালু থাকবে।

হাওড় অঞ্চলের এলজিইডি’র নিয়মিত প্রকল্পের পাশাপাশি সুনামগঞ্জ জেলায়‘‘Sunamgonj Community Based Resource Management Project’’নামীয় বিশেষ একটি প্রকল্পের মাধ্যমে  গত এক বছরে প্রায় ৮৮ কিঃমিঃ বাঁধ/রাস্তা নির্মাণ, ৯৬০টি নলকূপ স্থাপন, ২৮,১২০টি সেনিটারী লেট্টিন স্থাপন করা হয়েছে। প্রায় ৩,০০০  গ্রাম সংগঠনের মাধ্যমে  প্রায় ৯০,০০০ পরিবারকে ঋণ ও প্রশিক্ষণ দেয়ার মাধ্যমে স্বাবলম্বী করা হয়েছে। 

 

 

 

৬।

রূপকল্প ২০২১

৭(ঙ) স্বাস্থ্য সেবাঃ ২০১৩ সালের মধ্যে সকলের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন নিশ্চিত করা হবে।

 

নির্বাচনী ইশতেহার ২০০৮ঃ

স্বাস্থাসেবা ও পরিবার কল্যাণঃ

১১.২ ২০১৩ সালের মধ্যে প্রতি বাড়িতে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশনের ব্যবস্থা করা।

 

বর্ণিত রূপকল্প ও নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে শহর/গ্রামাঞ্চলে এলজিইডি’র দুইটি প্রকল্প চলমান আছে। 

গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে বিগত দুই বছরে ৪৫,৮০০টি সেনিটারী লেট্টিন ও ৪,০৪৬টি হস্তচালিত অগভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে।

 

 

 

৭।

রূপকল্প ২০২১

৭(ক) মৌলিক চাহিদা পূরণঃ

৭(গ) দারিদ্র নির্মুলঃ

 

নির্বাচনী ইশতেহার ২০০৮ঃ

৪.দারিদ্র ঘুচাও, বৈষম্য রুখো:

হত দরিদ্রদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বিস্তৃত করা।

হত দরিদ্রদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বিস্তৃত করার জন্য এলজিইডি’র ৩টি প্রকল্প/ কর্মসূচী চালু আছে। 

এলজিইডি’র ৩টি প্রকল্প / কর্মসূচীর মাধ্যমে  প্রতি বছর ৯৮,২৪০জন দুঃস্থ  মহিলার বছর ব্যপি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ সব মহিলাদের বেতনের ৩০% অংশ ব্যাংক একাউন্টে সঞ্চিত হচ্ছে। একই সাথে এদের বিভিন্ন আয়বর্ধক কর্মসুচীতে প্রদান করা হচ্ছে যেন এরা প্রকল্প চলাকালীন সময়েই স্ব-উদ্যোক্কা হিসেবে স্ব-নির্ভর হয়ে দারিদ্র জয করতে পারে।

 

 

 

৮।

১০.৫ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে গৃহীত কর্মকান্ড।

 

এলজিইডি’র GISইউনিট এবং বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য পার্শ্ববর্তী কলামে বর্ণিত কর্মসূচীসমূহ চলমান আছে।

 

·      Improvement of LGED web site;

·      Improvement of LGED GISdatabase by dynamic segmentation (460 upazila);

·      Updating and improvement of road and structure database;

·      Piloting of development of disaster database for rural infrastructure;

·      Development of digital Pourashava Master plan (233 Pourashavas) - Field level survey completed, digitization of maps on-going;

·      Technical assistance to 133 Pourashavas through development of software for Tax Management, Accounting, Trade License and Water Billing Systems;

·      Digitization of 576 sub-projects under Small Scale Water Resources Development Sector Project;

·      Software for Project Management and Monitoring Information System for Water Sector projects.

 

 

 

৯।

রূপকল্প ২০২১

৫. দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন

 

নির্বাচনী ইশতেহার ২০০৮ঃ

দুর্ণীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থাঃ

সরকারী কর্মকান্ডেরব্যাপকভাবে কম্পিউটারায়ন করে দুণীতির পথ বন্ধ করা হবে।

 

 

দূর্নীতির সুযোগ বন্ধ করার জন্য এলজিইডি GISম্যাপিং,Inventory এবংSoftware এর ব্যবহার  আধুনিকায়ন করা হয়েছে। দেশের ১৩৩ টি পৌরসভায়Accounting System, Water Billing System, Tax Management System, Trade License Systemএর সফটওয়ার তৈরী  করা হয়েছে।   সরকারী ক্রয় সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যের Online monitoringএর জন্য ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয়  হার্ডওয়ার সংগ্রহ ও প্রশিক্ষণ দানের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

 

 

 

১০।

রূপকল্প ২০২১

৬.  নারীর ক্ষমতায়ন ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা।

নির্বাচনী ইশতেহার ২০০৮ঃ

১২.১ নারীর ক্ষমতায়ন, সম-অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

নারীর ক্ষমতায়ন, সম-অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য এলজিইডি’র নিজস্ব Gender Equity Strategy and Action Planরয়েছে। এই Strategy-র অংশ হিসেবে এলজিইডি’র সকল কর্মসূচী/প্রকল্প মহিলাদের অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের উপর জোর দেয়া হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, এলজিইডি’র নির্মিত হাট-বাজারগুলিতে মহিলা উদ্যোক্তাদের জন্য Women Market Sectionকরা হচ্ছে। প্রায় ৬৫০টি পানি সম্পদ উপ-প্রকল্পে পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতিতে মহিলারা নিয়মিত অংশগ্রহণ এবং অবদান রাখছে। এছাড়া শুধুমাত্র মহিলা শ্রমিক দলের মাধ্যমেও এলজিইডি’র বেশকিছু কর্মসূচী পরিচালিত হচ্ছে। এলজিইডি’র বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় Community Based Organizationসমূহে মহিলাদের নেতৃত্ব এবং Enterprenuershipবিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। বিগত দুই বছরে সরকারের প্রত্যক্ষ উৎসাহে এলজিইডি এ সকল কর্মসূচী আরো বেগবান হয়েছে।    

 

 

 

 

 

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরঃ

ক্রঃনং

প্রতিবেদন

মন্তব্য

 

রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা

(যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

১।

·                 আর্সেনিক আক্রান্ত এলাকাসহ গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকার ২.০০ লক্ষ পানির উৎস  স্থাপন।

·                 ৩টি সিটি কর্পোরেশন ও ১৬টি জেলা শহর পৌরসভায় পানি সরবরাহ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন। প্রকল্পভুক্ত পৌর এলাকার ৭৫% জনসাধারণ পাইপ লাইনের  মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থার আওতায়  আনয়ন।

·                 ১৫৫টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ব্যবস্থার সম্ভাব্যতা যাচাই।

·                 গ্রাম এলাকায় পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই পাইলট স্কীম বাস্তবায়ন।

·     আর্সেনিক আক্রান্ত এলাকাসহ গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকার প্রায় ৬৬ হাজারটি পানির উৎস স্থাপন।

·     ১৯টি পৌরসভায় ২০০৭ সালের বন্যাত্তোর পানি সরবরাহ ব্যবস্থার মেরামত ও উন্নয়ন কার্যক্রম ও সিডর ও আইলা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ৯০০০টি পানির উৎস স্থাপন সম্পন্ন করন।

·     প্রাইভেট স্পন্সরশীপের মাধ্যমে ২০টি গ্রামে পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালু করণ।

·     ২০টি পৌরসভায় নলকূপ পুনরুজ্জিবীতকরণসহ পানি সরবরাহ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন।

·     মংলা পৌরসভায় আধুনিক পানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্থাপন।

·     পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা সংস্কার ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ৩টি সিটি কর্পোরেশন (রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল) ও ১৬টি জেলা শহর পৌরসভায় কার্যক্রম বাস্তবায়নাধীন আছে। প্রকল্পগুলো জুন, ২০১২ সালের মধ্যে সমাপ্ত হবে।

·     বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ৩৯.৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে গ্রামীণ পানি সরবরাহ এবং ৬৯৯.৯৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশেষ গ্রামীণ পানি সরবরাহ শীর্ষক দুইটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্প দুইটির মাধ্যমে যথাক্রমে ৫০০০টি ও ১২১০৭০টি পানির উৎস স্থাপন কাজ করা হবে। তাছাড়া পাবনা জেলার সুজানগর, ভাংগুরা ও চাটমোহর এবং গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া ও টুংগীপাড়া পৌরসভায় পাসি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা সংস্কার ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ২টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে।

·     পরিকল্পনা কমিশন ও মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন নিম্নলিখিত প্রকল্পসমূহ দ্রুত অনুমোদন করা প্রয়োজন।

1.৩৭ জেলা শহর পানি সরবরাহ প্রকল্প;

2.          উপকূলীয় এলাকায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্প (জিওবি-আইডিবি);

3.      Strengthening Capacity for Water Quality analysis & Monitoring System in Bangladesh.

4.       টংগী পৌরসভায় পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ও ড্রেনেজ প্রকল্প;

5.       কক্সবাজার শহরে পানি সরবরাহ প্রকল্প;

6.      আইনা দুর্গত এলাকায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন পুনর্বাসন প্রকল্প;

7.       ৩৮ থানা সদর ও গ্রোথ সেন্টারে অবস্থিত পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও এনভায়রনমেন্টাল স্যানিটেশন প্রকল্প;

8.      থানা সদর ও গ্রোথ সেন্টারে অবস্থিত পৌরসভাসমূহে পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ও এনভায়রনমেন্টাল স্যানিটেশন প্রকল্প (২য় পর্ব);

9.       Programme for the Improvement of Capabilities to cope with Natural Disaster Caused by Climate Changeপ্রকল্পসমূহ অননুমোদিত থাকায় গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।

পরিকল্পনা কমিশনে প্রক্রিয়াধীন প্রকল্পসমুহ দ্রুত অনুমোদনের ব্যবস্থা নেয়ার লক্ষ্যে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি প্রকল্পের পিইসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশেষ গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্পের ২য় পর্যায় এবং সমীক্ষা কার্যক্রমে অন্তর্ভূক্ত ১৫৫টি পৌরসভায় বিনিয়োগ প্রকল্প যথাসময়ে গ্রহণ ও বাস্তবায়ন প্রয়োজন। এলক্ষ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল এবং বৈদেশিক সহায়তায় যোগান নিশ্চিত করা দরকার।

 

রুপকল্প ২০২১ এ বর্ণিত কার্যক্রমঃ ২০১৩ সালের মধ্যে প্রতিটি বাড়িকে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।

ক্রঃনং

প্রতিবেদন

মন্তব্য

 

রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা

(যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

১।

·                 গ্রাম ও  শহর  অঞ্চলে সরকারি ও বেসরকারি উদ্দোগী ৬৫ লক্ষ স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা স্থাপন।

·                 গ্রাম ও শহর অঞ্চলে স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা স্থাপন ও ব্যবহারে উদ্ভুদ্ধকরণ।

·                 চর, হাওউ, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য সমস্যা সংকুল এলাকার উপযোগী স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নয়ন।

·     সরকারি, বেসরকারি ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কার্যকরী  উদ্যোগ গ্রহনের ফলে দেশে স্যানিটারী ল্যাট্রিন ব্যবহারকারী পরিবারের ৯০.৫৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

·     বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পর ৪৩.৬২কোটি টাকা ব্যায়ে প্রায় ৪.৬০লক্ষ নতুন স্যানিটারী ল্যাট্রিন নির্মানের লকেস্ষ্য চার বছর মেয়াদী ‘‘জাতীয় স্যানিটেশন প্রকল্প (২য় পর্যায়)’’চালু করা হয়েছে। উক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে ২০০৯-১০অর্থ বছরে ৪৭,৯৪৬ টি স্যানিটারী ল্যাট্রিন ও ৪১৭টি কমিউনিট ল্যাট্রিন স্থাতিত হয়েছে এবং ২০১০-১১ অর্থ বছরে ২,১০,০০০ সেট স্যানিটারী ল্যাট্রিন উৎপাদন ও বিতরনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

·     সর্বস্থরের গ্রামীন জনগন এবং স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও স্যানিটেশন বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিকল্পে অক্টোবর মাসে দেশব্যাপী জাতীয় স্যানিটেশন মাস উদযাপন করা হয়ে থাকে।

·     এছাড়া স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও স্যানিটেশন বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিকল্পে উদ্ধুদ্ধকরন কর্মসূচী নেওয়া হয়েছে যেন সরকারী পর্যায়ের পাশাপশি ব্যক্তিগত পর্যায়ের উদ্দ্যোগে স্যানিটেশন কভারেজ বৃদ্ধি পায়। উপরোক্ত কার্যক্রমগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিটি বাড়িকে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

·        ইউনিয়ন পরিষদ এবং উপজেলা পরিষদের থোক বরাদ্দ হতে ২০% অর্থ স্যানিটেশনের জন্য বয় নিশ্চিত করার ব্যবস্থা অব্যহত রাখতে হবে।

·        নুতন প্রকল্পের জন্য সরকারের নিজস্ব তহবিল এবং বৈদেশিক সহায়তায় অর্থের যোগান নিশ্চিত করা দরকার।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে (উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা) প্রদত্ত থোক বরাদ্দ হতে ২০% অর্থ স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারী আদেশ জারী করা হয়েছে।

 

 

ঢাকা ওয়াসা:

 

ক্রম:

রুপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে

গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

মন্তব্য

১.

(ক) বর্তমান সরকারের অন্যতম কর্মসূচী ভিশন ২০২১ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে অতি দ্রুত ঢাকা ওয়াসাকে এ অবস্থা থেকে বর্তমানে ঘুরে দাঁড়ানোর ‘‘ঘুরে দাঁড়াও ঢাকা ওয়াসা কর্মসূচী’’২০১০-২০১২ নামে একটি  কর্মসূচী নেয়া হয়।

(ক)  ঢাকা ওয়াসার প্রাতিষ্ঠানিক গতিশীলতা আনয়ন,  কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা,   প্রতিষ্ঠানটিকে বাণিজ্যিক ভাবে পরিচালনা এবং গ্রাহকগণের সর্বোত্তম সেবা প্রদান কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে।

-

-

-

২.

(খ) প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠন, কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের পারফরমেন্স সূচক স্থির, প্রতিষ্ঠানের উপযোগী বেতন কাঠামো পুনর্গঠন, সকল  স্তরে অটোমেশন সহ তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার কার্যক্রম  নেয়া হয়েছে।

(খ) প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম, প্রতিষ্ঠানের উপযোগী বেতন কাঠামো পুনর্গঠনের জন্য দুইটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং  সকল স্তরে অটোমেশন সহ তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা হয়েছে।

-

-

-

৩.

(গ) ঢাকা ওয়াসার অনুমোদিত অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী ১২ টি জোনের সীমানা নির্ধারণ  কার্যক্রম ।

ঢাকা ওয়াসার অনুমোদিত অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী ১২ টি জোনের সীমানা নির্ধারণ  কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

-

-

-

৪.

(ঘ) ঢাকা ওয়াসায়  ১ম শ্রেণী ও ২য় শ্রেণীর শূণ্য পদে নিয়োগ  সংক্রান্ত।

(ঘ) জানুয়ারী , ২০০৯ হতে ডিসেম্বর, ২০১০ পর্যন্ত  সময়ে ১ম শ্রেণীর পদে (৪১+৩১) =৭২ জন এবং ২য় শ্রেণীর ৫১ জন কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে।   

-

-

-

৫.

অন-লাইন বিলিং

ঢাকা ওয়াসার বিলিং কার্যক্রম অন-লাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।  ফলে যে সকল গ্রাহকের ইনটারনেট সুবিধা রয়েছে, তারা পানি ও পয়ঃ বিল সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সহজে পেতে পারবেন এবং জানতে পারবেন।

-

-

-

৬.

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিল পরিশোধ

ঢাকা ওয়াসার সম্মানিত গ্রাহকগণ যাতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাঁদের স্ব স্ব পানি ও পয়ঃ বিল পরিশোধ করতে পারেন তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে গত জুন ২০১০ মাসে সিটিসেল এর সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে।

-

-

-

৭.

ঢাকা ওয়াসার ওয়েবসাইট আপডেটকরণ

ঢাকাওয়াসার ওয়েবসাইট আধুনিকায়ন সহ কিছু নতুন তথ্য সন্নিবেশিত করা হয়েছে। নতুন ডায়ানামিক ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। ফলে সম্মানিত গ্রাহকগণ তাঁদের স্ব স্ব বিলিং সংক্রান্ত সকল তথ্য এ ওয়েবসাইট হতে সংগ্রহ করতে পারবেন, পাশাপাশি অন্যান্য সকল ব্যক্তিবর্গ ঢাকা ওয়াসার কর্মকান্ড সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিতে পারবেন, বিল ডাউনলোড করে ব্যাংকে পরিশোধ করতে পারবেন।

 

 

 

৮.

অন্যান্য কার্যক্রম অটোমেশন করণ (WWW.dwasa.org.bd)

(১)ওভারটাইম, আয়কর, ভবিষ্য তহবিল, পেনশন সহ র্কমকর্তা/কর্মচারীদের বেতন ভাতা  প্রস্তুত

বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল পরীক্ষাকরণ

ব্যক্তি মালিকানাধীন গভীর নলকূপের তথ্য সংরক্ষণ

(৪) ওয়াসা’র ম্যজিষ্ট্রেট আদালতে রুজুকৃত সার্টিফিকেট মামলার সংক্রান্ত তথ্য

(৫) মাসিক এমআইএসবই প্রস্তুত।

 

 

 

৯.

ই-টেন্ডারিং

ঢাকা ওয়াসা কর্তৃক যে সকল দরপত্র আহবান করা হয় তার গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে ই-টেন্ডারিং পদ্ধতি চালু করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। পাইলট পদ্ধতিতে এ কার্যক্রম আগামী জানুয়ারী’২০১১ হতে চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। 

 

 

 

 

 

 

 

 

১০.

অভিযোগ ও সাহায্য কেন্দ্র(Complain & Help Desk) স্থাপন

 

ঢাকা ওয়াসার প্রধান কার্যালয় ও সকল জোনেএকটি করে অভিযোগ ও সাহায্য কেন্দ্র(Complain & Help Desk)স্থাপন করা হয়েছে।   সম্মানিত গ্রাহক ও জনগন উক্ত কেন্দ্রে গমন করে অথবা টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদির মাধ্যমে অভিযোগ করতে পারবেন এবং যে কোন সাহায্য গ্রহণ করতে পারবেন। 

 

 

 

১১.

জিআইএস চালুকরণ

 (১) ঢাকা ওয়াসার পানি, পয়ঃ ও ড্রেনেজ লাইনের তথ্য ডিজিটাল ফরমে পাওয়া যাবে।

(২) লাইনের যে কোন স্থান নষ্ট হলে তা সহজে নির্ধারণ করা যাবে বিধায় সহজে মেরামত করা যাবে এতে   গ্রাহকের দূর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব হবে। 

(৩) সম্পাদিত পানি, পয়ঃ ও ড্রেনেজ কাজের পরিমান মনিটর করা যাবে, ফলশ্রুতিতে অর্থ অপচয় রোধ হবে। (৪) গভীর নলকূপ, পানি, পয়ঃ ও ড্রেনেজ সিষ্টেমসমূহের সঠিক অবস্থান নির্ণয় করে দ্রুততর সময়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে,

(৫)  Mathematical Modelingএর মাধ্যমেDecision Making Toolsহিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে

 

 

 

১২

গভীর নলকূপ স্থাপন-৭৫ টি

৬৬ টি

 

 

 

১৩

গভীর নলকূপ প্রতিস্থাপন-১২৭ টি

৮০ টি

 

 

 

১৪

ডীপ একুইফার-৩৯ টি

২৬ টি

 

 

 

১৫

পানির লাইন নির্মাণ-১৭৮ কঃমিঃ

১২০ কিমিঃ

 

 

 

১৬

লাইন পুনর্বাসন-১০৮ কিঃমিঃ

৭৩ কিঃমিঃ

 

 

 

১৭

ষ্টর্ম সুয়্যার লাইন নির্মাণ-৬১.৪৫ কিঃমিঃ

৩৩ কিঃমিঃ

 

 

 

১৮

ষ্টর্ম সুয়্যার লাইন পুনর্বাসন-৩  কিঃমিঃ

২.৬০ কিঃমিঃ

 

 

 

১৯

খাল উন্নয়ন-৭ কিঃমিঃ

৪ কিঃমিঃ

 

 

 

২০

গ্যাস জেনারেটর সংগ্রহ-৪ টি

৪ টি

 

 

 

২১

জেনারেটর সংগ্রহ-২০০ টি

৫০%

 

 

 

২২

পানি শোধনাগার-১ টি

১৫%

 

 

 

২৩

ঢাকা মহানগরীর জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্প (ফেজ-২)

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা মহানগরীর উল্লেখযোগ্য অংশের জলাবদ্ধতা দূর হবে।

 

 

  একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে।

২৪

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওতদ্সংলগ্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্প।

 

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও তদ্সংলগ্ন এলাকার জলাবদ্ধতা দূরীভূত হয়েছে।

 

 

  সরকার কর্তৃক অনুমোদিত

২৫

অন্তববর্তীকালীন জরুরী পয়ঃ লাইন নির্মাণ ও পুনর্বাসন প্রকল্প।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলেঢাকা মহানগরীর বেশ কছু এলাকা পয়ঃ নিষ্কাশনের আওতায় আসবে।

 

 

  প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে।

২৬

পলিউশন কন্ট্রোল মেজারস অব গুলশান-বারিধারা লেক বাই ডাইভার্টিং ড্রেনেজ আউটলেট প্রকল্প

 

 

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গুলশান-বারিধারা লেক দূষণমুক্ত হবে।

২০১০-১১ সংশোধিত এডিপিতে প্রকল্পটির জন্য বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

   একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে।

২৭

উত্তর ঢাকা (পূর্ব) সিউয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এন্ড এসোসিয়েটেড সিউয়ারেজ সিস্টেম প্রজেক্ট।

-

 

প্রকল্পটিতে বিদেশী অর্থায়নের উদ্যোগ গ্রহণে জন্য   ইআরডিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

২৮

ক) রাজস্ব বিলিং আদায়  সংক্রান্ত।

(ক)  গত ২ বছরে ঢাকা ওয়াসার রাজস্ব বিলিং হয়েছে ৮৩২৯২.৮৮ লক্ষ টাকা। আদায় হয়েছে ৭৭৬২২.২৪ লক্ষ টাকা। পক্ষান্তরে, বিগত সরকারের আমলে একই সময়ে বিলিং হয়েছিল ৬৬৫৬৪.৫৭ লক্ষ টাকা এবং আদায় হয়েছিল ৬০৯৫৫.০৬ লক্ষ টাকা। 

 

 

 

২৯

খ) ঢাকা ওয়াসার গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি সংক্রান্ত।

(খ) বর্তমান সরকারের সময়ে ২ বছরে ঢাকা ওয়াসার গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ২৪,৩১৩ (চবিবশ হাজার তিনশত তের)।

 

 

 

৩০

গ) অন লাইন বিলিং চালু সংক্রান্ত ।

(M)            ঢাকা ওয়াসার সম্মানিত গ্রাহকগণের সুবিধার্থে অন-লাইন বিলিং চালু করা হয়েছে এবং কার্যক্রমের যথেষ্ঠ অগ্রগতি হয়েছে। ঢাকা ওয়াসার আদায় বৃদ্ধির লক্ষ্যে, অনলাইনে  প্রিমিয়ার ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের যে কোন শাখায় যে কোন রাজস্ব অঞ্চলের সম্মানীত গ্রাহকদের বিল পরিশোধের বাবস্থা করেছে।

 

 

 

৩১

ঘ) মোবাইল কোম্পানীর সাথে চুক্তি সংক্রান্ত।

(ঘ) মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিল পরিশোধের লক্ষ্যে সিটিসেল মোবাইল কোম্পানীর সাথে ঢাকা ওয়াসার চুক্তি হয়েছে এবং বিল সংগ্রহের কাজ গত ১৮/১০/১০ তারিখ হতে শুরু হয়েছে। রবির সাথেও চুক্তি হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য মোবাইল কোম্পানীর সাথেও চুক্তি করার প্রক্রিয়া চলছে।

 

 

 

৩২

ঙ) Help Deskচালু   সংক্রান্ত।

(ঙ) গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিটি জোনাল অফিস ও প্রধান কার্যালয়ে Help Deskচালু করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

 

 

 

৩৩

চ) ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু প্রসঙ্গে।

(চ)প্রধান কার্যালয়ের সাথে প্রতিটি রাজস্ব জোনের তড়িৎ যোগাযোগের লক্ষ্যে ই-মেইল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এ সমস্ত কার্যক্রম গ্রহন করার ফলে গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ঘুরে দাঁড়াও ঢাকা ওয়াসা কার্যক্রম সফলভাবে এগিয়ে চলছে।

 

 

 

৩৪

ছ) লাভজনক সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করণ  সংক্রান্ত।

ছ) প্রাতিষ্ঠানিক খরচ কমিয়ে এবং আয় বৃদ্ধি করে প্রতিষ্ঠান থেকে একটি লাভজনক সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। এ কাজে অংশগ্রহণ হিসেবে লোকবল নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

 

 

 

৩৫

হিসাব সংক্রান্ত কার্যক্রম।

বিগত ২৪ মাসে হিসাব বিভাগে ঢাকা ওয়াসা আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী বিপত ৩টি অর্থ বছরের পেন্ডিং হিসাব নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং ২০০৯-১০ অর্থ বছরের হিসাব নিরীক্ষার কাজ চলছে।

 

 

 

 

 

চট্টগ্রাম ওয়াসা  :

ক্রম:

রুপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে

গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

মন্তব্য

১.

তৃতীয় ইন্টারিম পানি সরবরাহ প্রকল্প।

মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ঃ ৫৯০৬.০০ লক্ষ টাকা

মেয়াদকালঃ-

আরম্ভঃ ০১/৭/১৯৯৯

শেষঃ- ৩০/৬/২০১০।

তৃতীয় ইন্টারিম পানি সরবরাহ প্রকল্প

বিগত ১৯৯৯  সালে শুরু হওয়া প্রকল্পটিগত ২০০৯-১০ অর্থ বছরে সমাপ্ত হয়েছে। প্রকল্পটির বিপরীতে ৬০টি গভীর লনকূপ খনন পূর্বক নগরীতে ১১২ এমএলডি পানি উৎপাদন করা হচ্ছে।

--

--

প্রকল্পটি ৩০শে জুন/১০ সমাপ্ত হয়।

২.

মোহরা ও কালুরঘাট প্ল্যান্ট পুনর্বাসন প্রকল্প

মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ঃ ৮৬৮৭ লক্ষ টাকা

মেয়াদকালঃ-

আরম্ভঃ ০১/৩/০৬

শেষঃ- ৩১/১২/২০১১।

মোহরা ও কালুরঘাট প্ল্যান্ট পুনর্বাসন 

প্রকল্পটি ২০০৬ সালে শুরু হয়ে ২০১১ সালে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত। প্রকল্পটি্ শেষ হলে পুরাতন কালুরঘাট আয়রন দূরীকরণ ষ্টেশন ও মোহরা পানি সবরাহ প্রকল্পের প্লান্ট  আধুনিকায়ন হবে। বর্তমানে প্রকল্পটির ৮৪% বাস্তব এবং ৭৬% আর্থিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে।

--

--

--

৩.

কর্ণফুলী পানি সরববরাহ প্রকল্প

মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ঃ ৯৬২৯০.০০ লক্ষ টাকা

মেয়াদকালঃ-

আরম্ভঃ ০১/৩/০৬

শেষঃ- ৩০/১২/২০১২।

কর্ণফুলী পানি সরববরাহ প্রকল্প

প্রকল্পটি ২০০৬ সালে শুরু হয়ে ২০১২ সালে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়নি। বর্তমান সরকার ক্ষমতা আসার পর সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ভূমি অধিগ্রহণ  কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ভূমির দখল চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্তৃক বুঝে নেয়া হয়েছে। প্রকল্পটির প্রধান তিনটি অংগ (১) ইনটেক ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নির্মাণ (২) পাইপ লাইন স্থাপন (৩) রিজার্ভার নির্মাণ। উক্ত তিন প্যাকেজের  কার্য সম্পাদনের জন্য  ঠিকাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে।  উল্লেখ্য যে, গত ২২/১১/১০ তারিখের ক্রয় কমিটিতে রিজাভার নির্মাণের দরপত্র অনুমোদিত হয়। শীর্ঘ্রই কাজ শুরু করা যাবে বলে আশা করা যায়।

ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়নি।

বর্তমান সরকার ক্ষমতা আসার পর সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ভূমি অধিগ্রহণ  কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ভূমির দখল চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্তৃক বুঝে নেয়া হয়েছে।

 

৪.

জরুরী পানি সরববরাহ প্রকল্প

মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ঃ ২৭২৬.০০লক্ষ টাকা

মেয়াদকালঃ-

আরম্ভঃ ০১/০১/১০

শেষঃ- ৩০/৬/২০১১।

জরুরী পানি সরবরাহ প্রকল্প

প্রকল্পটি ২০১০ সালের জানুয়ারীতে শুরু হয়ে ২০১১ সালের জুনে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত। প্রকল্পটিরবিপরীতে ৫টি গভীর নলকূপ খনন করা হয়েছে এবং ৪টি চালু করা হয়েছে।  উক্ত গভীর নলকূপ থেকে দৈনিক ৯.৮২ এমএলডি পানি সরবরাহ হচ্ছে।

--

--

--

৫.

এক্সপ্রেস পাওয়ার লাইন স্থাপন ও জেনারেটর ক্রয় প্রকল্প।

মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ঃ ১৬৭৫.৮১ লক্ষ টাকা

মেয়াদকালঃ-

আরম্ভঃ মে/১০

শেষঃ-জুন/২০১১।

 

চট্টগ্রাম ওয়াসার চালুকৃত গভীর নলকূপ হতে নিরবিচ্ছিন্ন পানি সরবরাহের উদ্দেশ্যে নলকূপ সমূহ লোডশেডিং এর আওতামুক্ত রাখার জন্য এক্সপ্রেস পাওয়ার লাইন ও জেনারেটর ক্রয় প্রকল্প নামে ১৬৭৫.৮১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী কর্তৃক অনুমোদন লাভ করে। প্রকল্পটির বিপরীতে ২০টি জেনারেটর ক্রয়ের কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে।

--

--

--

৬.

মোহরা পানি সরবরাহ বর্ধিত করণ প্রকল্প।

মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ঃ ১৯৭৬.৯ লক্ষ টাকা

মেয়াদকালঃ-

আরম্ভঃ ০১/৭/০৩

শেষঃ- ৩০/১/১০

মোহরা পানি সরবরাহ বর্ধিত করণ প্রকল্প:  প্রকল্পটি ২০০৩ সালে শুরু হয়ে ২০০৯ সালে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত ছিল। মামলাজনিত কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন যথাসময়ে সম্ভব হয়নি। বর্তমানে  মামলা রায় হয়েছে। রায় ওয়াসার পক্ষে এসেছে। রায়ের কপি পাওয়ার পর প্রকল্পটির ডিপিপি সংশাধনের কাজ হাতে নেয়া হবে।

মামলা জনিত কারণ

মামলার  রায় ওয়াসার পক্ষে এসেছে। রায়ের কপি সংগ্রহের জন্য মাননীয় সুপ্রিম কোর্টে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হয়েছে।

--

৭.

চট্টগ্রাম ওয়াসা পানি উন্নীত করণ ও স্যানিটেশন প্রকল্প।

মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ঃ ১০৭৮৪৬.০০ লক্ষ টাকা

মেয়াদকালঃ-

আরম্ভঃ ০১/৭/১০

শেষঃ- ৩০/৯/১৫

চট্টগ্রাম ওয়াসা পানি উন্নীত করণ ও স্যানিটেশন প্রকল্প: বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তার ১০৭৮৪৬.২১ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি নেয়া হয়েছে। জুলাই-১০ শুরু হয়ে সেপ্টেম্বর-১৫ সালে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত। পিইসি সভায় সুপারিশকৃত। সুপারিশের প্রে&&ক্ষতে ডিপিপি পুনগর্ঠন করে একনেক সভার জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে।

--

--

--

৮.

ভান্ডারজুরী পানি সরবরাহ প্রকল্প

মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ঃ ৬৫৬১৫.৩৩ লক্ষ টাকা

মেয়াদকালঃ-

আরম্ভঃ ০১/৭/১০

শেষঃ- ৩০/৬/১৩

ভান্ডারজুরী পানি সরবরাহ প্রকল্প

প্রকল্পের পিডিপিপি প্রস্ত্তুত করা হয়েছে। মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী মহোদয়প্রকল্পটির পিডিপিপি নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। বর্তমানে দাতা গোষ্ঠীর নিকট অর্থায়নের বিষয়ে আলোচনার জন্য অর্থনৈতি সম্পর্ক বিভাগে পিডিপিপি প্রেরণ করা হয়েছে।

--

--

--

৯.

পাইপ লাইন পুনর্বাসন প্রকল্প

মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ঃ ৩০,০০০.০০ লক্ষ টাকা

মেয়াদকালঃ-

আরম্ভঃ ০১/৭/১০

শেষঃ- ৩০/৬/১৩

পাইপ লাইন পুনর্বাসন প্রকল্প

প্রকল্পের পিডিপিপি প্রস্ত্তুত করা হয়েছে। মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী মহোদয় প্রকল্পটি পিডিপিপি  নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। বর্তমানে দাতা গোষ্ঠীর নিকট অর্থায়নের বিষয়ে আলোচনার জন্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে পিডিপিপি প্রেরণকরা হয়েছে।

--

--

--

১০.

পাইপ লাইন বর্ধিত করণ প্রকল্প

মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ঃ ২৫,০০০.০০ লক্ষ টাকা

মেয়াদকালঃ-

আরম্ভঃ ০১/৭/১০

শেষঃ- ৩০/৬/১৩

পাইপ লাইন বর্ধিত করণ প্রকল্প

প্রকল্পের পিডিপিপিমাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী মহোদয় প্রকল্পটি পিডিপিপি  নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেণ। অর্থায়নের বিষয়ে আলোচনার জন্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে পিডিপিপি প্রেরণ করা হয়েছে।

--

--

--

১১.

পয়ঃ নিষ্কাশন প্রকল্প

মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ঃ ৮৯৪৬৬.৩০ লক্ষ টাকা

মেয়াদকালঃ- আরম্ভঃ জুলাই/১০ শেষঃ- জুন/২১

পয়ঃ নিষ্কাশন প্রকল্প : প্রকল্পের পিডিপিপি প্রস্ত্তুত করা হয়েছে। মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী মহোদয় প্রকল্পটির পিডিপিপি নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। 

--

--

--

১২.

ষ্টর্ম ওয়াটার ড্রেনেজ প্রকল্প

মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ঃ ৩০,০০০.০০ লক্ষ টাকা

মেয়াদকালঃ-

আরম্ভঃ জুলাই/১০

শেষঃ- জুন/১১

ষ্টর্ম ওয়াটার ড্রেনেজ প্রকল্প

প্রকল্পের পিডিপিপি প্রস্ত্তুত করা হয়েছে। মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী মহোদয় প্রকল্পটির পিডিপিপি নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। বর্তমানে দাতা গোষ্ঠীর নিকট অর্থায়নের বিষয়ে আলোচনার জন্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে পিডিপিপি প্রেরণ করা হয়েছে।

--

--

--

 

খুলনা ওয়াসা:

ক্রম:

রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে

গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবন্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপও সর্বশেষ পরিস্থিতি

 

Supporting the Establishment of the Khulna Water Supply and Sewearge Authority (TAPP) (15/03/09-31/04/09)

Funded by ADB

ক) খুলনা ওয়াসার সাংগঠনিক ব্যবস্থার উন্নয়ন।

খ) আর্থিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন।

গ) এই প্রকল্প বাসত্মবায়নের মাধ্যমে অন্যান্য প্রকল্প গ্রহণ।

প্রযোজ্য নয়

প্রযোজ্য নয়

প্রকল্পটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে

Strengthening the Resilience of the Water Sector in Khulna to Climate Change (TAPP) April’09-June’10)

Funded by ADB

ক) জলবায়ূ পরিবর্তন সম্পর্কিত বিষয়ে উদ্ভুদ্ধকরণ।

খ) লবনাক্ততা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে পানির উপর প্রভপাব।

গ) পরিবেশ সমুন্নত রেখে ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার হ্রাস করে ভূ-পৃষ্ঠের পানির ব্যবহার বৃদ্ধি।

প্রযোজ্য নয়

প্রযোজ্য নয়

প্রকল্পটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে

Preparing Khulna Water Supply Project (Jan’10-Dec’10)

TAPP funded by ADB

ক) ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর পরীবিক্ষণ।

খ) প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার উন্নয়ন

গ) বিনিয়োগ প্রকল্প গ্রহণের পরীক্ষা ও নিরীক্ষা পরিচালনা।

প্রযোজ্য নয়

প্রযোজ্য নয়

বাসত্মবায়নাধীন   ডিসেম্বর’১০ এর মধ্যে সম্পন্ন হবে

Development of Water Supply System in Khulna City (2010-13)

ক) ১৩টি উৎপাদক নলকূপ ও ১টি ভূ-উপরিস্থ পানি শোধনাগার এর মাধ্যমে মোট ২৬.৭৫ এম.এল.ডি পানি উৎপাদন করা।

খ) ৫১কিঃমিঃ পানির লাইন পূনর্বাসন ও উন্নয়ন।

গ) ৩০০০টি নতুন পানির সংযোগসহ মিটার স্থাপন।

২০১০-১১ অর্থ বছরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে কোন অর্থ বরাদ্দ রাখা হয় নাই।

অর্থ বরাদ্দের জন্য মন্ত্রণালয়ে ১৫/১১/১০ তারিখে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের বাসত্মবায়ন কার্যক্রম শুরম্ন হয়েছে।

Rehavilitation of Production Tube-wells & expansion of water supply network for local distribution of water within KCC area (2010-13)

ক) ৮টি উৎপাদক নলকূপ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে ১৬ এম.এল.ডি. পানি সরবরাহ বৃদ্ধিকরণ।

খ) ৭৭ কিঃমিঃ পানির লাইন পুনর্বাসন ও উন্নয়ন।

গ) ৫০০০টি ফ্লো মিটার ও ৫০০০টি পানির সংযোগ স্থাপন।

বর্তমান আছে

DPP is waiting in Planning Commission for PEC

-

Development and Rehabilitation of Khulna Water Supply and Building Infrastructure Facilities for Khulna Water Supply and Sewerage Authority

 (2011-14)

 ৮টি উৎপাদক নলকূপ প্রতিস্থাপন ও ৮টি নতুন উৎপাদক নলকূপ স্থাপন এর মাধ্যমে ২২ এম এল ডি পানি উৎপাদন করা। ৭০ কিঃমিঃ পানি লাইন পূর্ণবাসন ও উন্নয়ন। ৬০০০টি নতুন গৃহসংযোগসহ পানির মিটার স্থাপন। ২টি ওভার হেড ট্যাংকি ও ২টি গ্রাউন্ড ওয়াটার রিজারভার তৈরী করণ।

Be Funded by ADB Program Loan

DPP has been submitted to Planning wing of LGD & DEPC meeting has completed on 05/12/10

DPEC will be held on 05/12/10

Construction of Impounding Reservoir, Intake Point, Construction of SWTP including Transmission Pipe line (2011-2015) & Development, Expansion and Rehabilitation of Water Distribution System in City Area Project (2011-2016)

একটি Impounding reservior, 110 MLD capacity SWTP, Intake pump stationনির্মাণ, 35km transmission lineএবং 700 কিঃমিঃ পানি সরবরাহ সঞ্চালন লাইন পূর্ণবাসন ও উন্নয়ন : ৭৫০০০ টি নতুন গৃহসংযোগসহ পানির মিটার স্থাপন।

Be funded by JICA ADB

Feasibility study Completed & DPP will be submitted to the ministry for both the component by Dec’10

Loan agreement will be singed within Feb. to April/11.

 

 


 

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনঃ

 

ক্রমিক নং

প্রতিবেদন

মন্তব্য

রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

১.

“Construction of Mayor Mohammad Hanif Flyover on BOOTBasis” শীর্ষক প্রকল্প।

(যাত্রাবাড়ী- গুলিস্তান ফ্লাইওভার)

নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে।

Utility লাইন স্থানান্তর কাজ সমাপ্ত না হওয়ায় মূল কাজের অগ্রগতি ব্যহত হচ্ছে।

Utility লাইন স্থানান্তর কাজের ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হলে পিইসি সভায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামতের জন্য প্রেরণ করা হয়। সর্বশেষ ২-১২-১০ তারিখে পুনরায় ডিপিপি স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণ করা হয়েছে।

যথাসময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না।

 

“Public Partnership to Construction of Mayor Mohammad Hanif Flyover Project under PPPBasis” শীর্ষক প্রকল্প।

 

ডিপিপি অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হয়েছে।

Utility লাইন স্থানান্তর কাজের ডিপিপি অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

Utility লাইন স্থানান্তর কাজের ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হলে পিইসি সভায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামতের জন্য প্রেরণ করা হয়। সর্বশেষ ২-১২-১০ তারিখে পুনরায় ডিপিপি স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণ করা হয়েছে।

প্রকল্পটি অনুমোদন না হওয়ায় যথাসময়ে মূল প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না।

 

বেসরকারী অর্থায়নে গুলশান, বনানী ও কাওরানবাজারে বহুতল বিশিষ্ট কার পার্কিং-কাম-মাল্টি পারপাস ভবন নির্মাণ। 

 

 

 

 

 

২.

এডিপিভুক্ত প্রকল্প (সমাপ্তপ্রকল্প):

ঢাকা সিটি করপোরেশনের আবর্জনা অপসারণ ব্যবস্থার উন্নয়ন।

  

 

হাইড্রোলিক গার্বেজ কম্পেকটিং ট্রাক- ৫টি, মিনি ডাম্প ট্রাক ৩ টন- ৫টি, হুইল লোডার- ১টি, হুইল ডোজার- ১টি, রেকার (রিকভারী ভেইকেল)- ২টি, প্রাইম মুভার উইথ লো- বেড ট্রেইলার- ১টি, ট্রাক মাউন্টেডভেকুয্যামড রোড সুইপার মেশিন (৫ টন)- ১টি, ট্রাক মাউন্টেড ভেকুয্যামড রোড সুইপার মেশিন (৩ টন)- ১টি ইত্যাদি সংগ্রহ করা হয়েছে।।

 

 

প্রকল্পটি জুন ২০১০ এ সমাপ্ত হয়েছে।

৩.

এডিপিভুক্ত চলমান প্রকল্প:                        

এয়ারপোর্ট রোড (জিয়া কলোনী)- মিরপুর

ক্যান্টনমেন্ট পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প।                       

 

মোট দৈর্ঘ্য: ৬.৩০ কি:মি:

(৩৫.৩১%)

রাস্তার এলাইনমেন্টের কিছু অংশে চৌধুরী কুঞ্জ নামক ভবন অপসারণ করা সম্ভব হচেছ না।

বর্তমান অর্থবছরে প্রকল্পটি সমাপ্ত হবে না বিধায় জুন-২০১২ পর্যমত মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে হাইকোর্ট হতে ১লা ডিসেম্বর শুনানী অন্তে রায় পাওয়া যাবে। সে অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

জুন ২০১১ তে প্রকল্পটি সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত।

 

তেজগাঁও আড়ং ও গুলশান শুটিং ক্লাব সংলগ্ন স্থানে লিংক ব্রীজ নির্মাণ প্রকল্প।

 

৪০ মি: দৈর্ঘ্যে ব্রীজ নির্মাণ

(৩২.৫২%)

 

ব্রীজের এলাইনমেন্ট হতে তিতাস গ্যাস পাইপ সরানোর পর ব্রীজ নির্মাণ কাজ শূরু করা যাবে।

ব্রীজের এলাইনমেন্ট হতে তিতাস গ্যাস পাইপ সরানো হচ্ছে।

জুন ২০১১ তে প্রকল্পটি সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত।

 

ইমপ্রুভমেন্ট  অব  সলিড ওয়েস্ট  ম্যানেজমেন্ট  ইন ঢাকা সিটি টুওয়ার্ডস  দ্যা  লো- কার্বন  সোসাইটি থ্রু এনহেনসিং ওয়েষ্ট ট্রান্সপোর্ট ক্যাপাসিটি।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কাজে ব্যবহারের জন্য ডিটাচেবল কনটেইনার ক্যারিয়ার- ২০টি, কনটেইনার ক্যারিয়ার- ৪৫টি, কম্প্যাক্টর- ৩৫টি জাইকার অর্থায়নে জাপান থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

 

 

 

ডিসেম্বর ২০১০ এ প্রকল্পটি সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত।

 

সলিড ওয়েষ্ট ম্যানেজমেন্ট-আমিন বাজার ল্যান্ডফিল উন্নয়ন প্রকল্প।

 

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কাজে ব্যবহারের জন্য বুলডোজার- ৩টি, এক্সাভেটর- ৩টি ও কন্টেনার ক্যারিয়ার- ২৭টি সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ল্যান্ডফিল এরিয়ার পূর্ত কাজ- (ব্লক এমব্যাংকমেন্ট, লিসেট পন্ড, পাইপ, লাইনার, পল্যাটফরম ইত্যাদি) বাস্তবায়ন করা হয়েছে (৬৮.৩৭%)।

 

 

জুন ২০১১ তে প্রকল্পটি সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত।

 

ঢাকা শহরে ৩(তিন)টি পাইকারী কাঁচা বাজার নির্মাণ প্রকল্প।

(আমিনবাজার, মহাখালী ও যাত্রাবাড়ী)

 

কাঁচা বাজার নির্মাণ- ৩টি (৪৮.৭৮%)

একনেক সভায় সিদ্ধান্ত পুন:বিবেচনাপূর্বক অনুমোদন প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে অবস্থানপত্র ১০-১০-১০ তারিখে স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণ করা হলে তা পরিকল্পনা কমিশনে প্রেরীত হয়। বর্তমানে একনেক সভায় উত্থাপনের অপেক্ষায় আছে।

এ লক্ষ্যে অবস্থানপত্র ১০-১০-১০ তারিখে স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণ করা হলে তা পরিকল্পনা কমিশনে প্রেরীত হয়। বর্তমানে একনেক সভায় উত্থাপনের অপেক্ষায় আছে।

একনেকের পুন: অনুমোদন ব্যতীত প্রকল্পের অর্থ ছাড় হচ্ছে না।

 

কনষ্ট্রাকশন অফ রোড ফ্রম মিরপুর গ্রামীন ব্যাংক টু আগারগাঁও প্রকল্প।

 

মোট দৈর্ঘ্য: ৩.৬৩ কি:মি:

(৩.৯৪%)

জমিঅধিগ্রহণের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন এবং এডিপিতে জিওবি খাতে অর্থ বরাদ্দ নেই।

জমিঅধিগ্রহণের জন্য ১০-১১-১০ তারিখে CLACসভা হয়েছে। সভার সিদ্ধামত অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে। জমিঅধিগ্রহণের জন্য সংশোধিত এডিপিতে ৬১.০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না হলে কাজ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না।

 

কনষ্ট্রাকশন অব মাল্টিষ্টোরিড ওমেন হোস্টেল এন্ড একাডেমিক কমপ্লেক্স ফর ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজ প্রকল্প।

 

২০-তলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট ৮ম- তলা পর্যন্ত ৯টি ফ্লোর (ভবন) নির্মাণ (৪৪ %) বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদন না হওয়ায় কাজের অগ্রগতি ব্যহত হচ্ছে এবং অর্থ ছাড় হচ্ছে না। প্রস্তাবিত সংশোধিত ডিপিপি আর্থসামাজিক অবকাঠামো বিভাগের শিক্ষা উইং এর আওতায় ১১-৪-১০ তারিখে পিইসি সভা হয়েছে।

পিইসি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিবেদন প্রণয়নের জন্য সর্বশেষ ৯-১১-১০ তারিখে স্থানীয় সরকার বিভাগের মহা-পরিচালকের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভার সিদ্ধান্ত পাওয়া গেলে আরডিপিপি জমা দেয়া যাবে।

সংশোধিত ডিপিপি দ্রুত অনুমোদন প্রয়োজন।

৪.

ঢাকা সিটি করপোরেশনের দয়াগঞ্জ, ধলপুর এবং সুত্রাপুর ক্লিনার কলোনী নির্মাণ।

-

সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। ফলে এডিপি থেকে প্রকল্পটি বাদ পড়েছে।

২৮-১০-১০ তারিখে পিইসি সভা হয়েছে। সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী আরডিপিপি দাখিল করা হচ্ছে।

সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদন না হওয়ায় কাজ বন্ধ রয়েছে।

 

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীন:

নির্মল বায়ু ও টেকসই পরিবেশ প্রকল্প (কেইস প্রজেক্ট):

ফুটওভার ব্রীজ নির্মাণ: ৫ টি (৩০%)।

 

 

 

৫.

অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন প্রকল্প:

উত্তরা মডেল টাউনের ১০, ১১, ১২, ১৩ ও ১৪নং সেক্টরের বিভিন্ন রাস্তা উন্নয়ন ও নর্দমা নির্মাণ।

 

প্রকল্পটি ২১-১০-১০ তারিখে মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।

বর্তমান অর্থ বছরে আরএডিপিতে বরাদ্দ প্রয়োজন।

সংশোধিত এডিপিতে অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

 

অঞ্চল-৬ এর অধীনে ৪২ নং ওয়ার্ডে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকার রাস্তা, নর্দমা ও ফুটপাত উন্নয়ন।

১৪-৯-১০ তারিখে একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে।

বর্তমান অর্থবছরে আরএডিপিতে বরাদ্দ প্রয়োজন।

সংশোধিত এডিপিতে অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

 

মোহাম্মদপুর এলাকার বেড়ী বাঁধ থেকে মোহাম্মদপুর বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত রাস্তা উন্নয়ন কাজ।

০১-১১-১০ তারিখে পিইসি সভা হয়েছে।

ডিপিপি অনুমোদন প্রয়োজন।

পিইসি সভার সিদ্ধামত অনুযায়ী ডিপিপি পুনর্গঠন হচ্ছে।

 

 

ঢাকা সিটি করপোরেশনের ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা, নর্দমা ও ফুটপাত উন্নয়ন প্রকল্প।

একনেক সভায় উত্থাপনের অপেক্ষায় আছে।

ডিপিপি একনেক সভায় উত্থাপন ও অনুমোদন প্রয়োজন।

 

 

 

ঢাকা মহানগরীর মিরপুর  ও আফতাবনগর এলাকায় ২টি কবরস্থান  নির্মাণ প্রকল্প।

 

 

আইএমইডি’তে ব্যয় যুক্তিযুক্তকরণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুনরায় পিইসি সভার অপেক্ষায় আছে।

 

 

 

মিরপুর দারুস সালাম সড়ক (আনাসার ক্যাম্প) থেকে কচুক্ষেত পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ।

 

 

পিইসি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আরএস ম্যাপে জমি অধিগ্রহণের ল্যান্ড সিডিউল প্রস্ত্তত করা হচ্ছে। 

 

 

 

মানিক মিয়া এভিনিউতে পথচারী আন্ডারপাস নির্মাণ প্রকল্প। 

প্রকল্পভুক্ত কার্যক্রম: ৬০ মি: দীর্ঘ পথচারী আন্ডারপাস নির্মাণ।

 

layout plan নগর উন্নয়ন কমিটির অনুমোদন না পাওয়ায় পুনরায় ডিপিপি প্রক্রিয়াকরণ করা যাচ্ছে না।

 

 

 

রায়ের বাজার জাতীয় বধ্যভূমি সংলগ্ন প্রস্তাবিত কবরস্থান উন্নয়ন কাজ।

 

 

ডিপিপি অনুমোদন প্রয়োজন।

০১-১১-১০ তারিখে পিইসি সভা হয়েছে। সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী ডিপিপি পুনর্গঠন করা হচ্ছে।

 

 

মিরপুর সেনানিবাস বাইপাস রোড নির্মাণ, সিরামিক রোড উন্নয়ন, দক্ষিণ পল্লবী এলাকার নর্দমা ও সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প।

 

 

হাউজিং কর্তৃপক্ষের জমি ব্যবহারের ছাড়পত্র বাকী রয়েছে

পিইসি সভার সিদ্ধামত অনুযায়ী বিভিন্ন সংস্থার জমি ব্যবহারের ছাড়পত্র নেয়া হচ্ছে। পরবর্তিতে ডিপিপি পুণর্গঠনকরতঃ জমা দেয়া হবে।

 

 

ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন সড়কে এনার্জি সেভিং বাতি স্থাপন প্রকল্প।

 

পিইসি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী HEDLampজনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিনা তা BUETকর্তৃক মতামত প্রদানের জন্য পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। মতামত পাওয়া গেলে ডিপিপি পুণ:র্গঠন করা হবে।

 

 

 

শাহাবাগ, শেরাটন, বাংলামটর এবং সোনারগাঁও ইন্টারসেকশনে রোড আন্ডারপাস নির্মাণ প্রকল্প।

 

২৮-১০-১০ তারিখে পিইসি সভা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১-১১-১০ তারিখে পুণর্গঠিত ডিপিপি স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণের পর একই দিনে পরিকল্পনা কমিশনে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

 

 

ঢাকা সিটি করপোরেশনের আওতায় যাত্রাবাড়ী মোড় হতে ঢাকা-ডেমরা, ঢাকা-চট্রগ্রাম এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়কের ১ কি.মি পর্যন্ত উন্নয়ন কাজ।

 

ডিপিপি অনুমোদন প্রয়োজন।

২৪-১১-১০ ডিপিপি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

 

Improvement of Road Infrastructure and Beautification works around Mirpur Sher-e-Bangla National Cricket Stadium and Bangabandhu National Stadium.

৭-১২-১০ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য একনেক সভায় উত্থাপনের জন্য তালিকায় আছে।

ডিপিপি একনেক সভায় উত্থাপন ও অনুমোদন প্রয়োজন।

 

 

 

ঢাকা নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প।

৬-১২-১০ তারিখে স্থানীয় সরকার বিভাগে আইপিইসি সভা হয়েছে।

 

সভায় সিদ্ধামত অনুযায়ী ডিপিপি পুনর্গঠন করা হচ্ছে।

 

 

শ্যামলী হতে আগারগাঁও পর্যন্ত সৈয়দ মাহবুব মুর্শেদ সরণীর অবকাঠামো উন্নয়ন।

ডিপিপি গত ৪-১০-১০ তারিখে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

 

 

 

Improvement of Damage RoadInfrastructure by Asphalt Plant in DhakaCity.

ডিপিপি প্রণয়ন করা হচ্ছে।

 

 

 

 

সায়েন্স ল্যাববেটরী এলাকার যানজট নিরসনের জন্য মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদ হতে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত বাশবাড়ী রোড প্রশস্থকরণ এবং জিগাতলা বি.ডি.আর গেট হতে আজিমপুর কবরস্থান পর্যন্ত নতুন সংযোগ সড়ক নির্মাণ।

ডিপিপি প্রণয়ন করা হচ্ছে।

 

 

 

৬.

ডিসিসি'র নিজস্ব অর্থায়নে:

২০০০.০০ কি:মি: রাস্তা মেরামত ও উন্নয়ন, ১০০০.০০ কি:মি: নর্দমা নির্মাণ/পুন:নির্মাণ ও ৫০০.০০ কি:মি: ফুটপাত নির্মাণ/পুন:নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

২০০৯-১০ অর্থবছরে:

১৯৭.৬৮ কি:মি: রাস্তা মেরামত ও উন্নয়ন, ১২৮.৯৯ কি:মি: নর্দমা নির্মাণ/পুন:নির্মাণ ও ২৭.০২ কি:মি: ফুটপাত নির্মাণ/পুন:নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে।

 

২০১০-১১ অর্থবছরে:

১৪০.২৭৬ কি:মি: রাস্তা মেরামত ও উন্নয়ন, ১০০.৯৬১ কি:মি: নর্দমা নির্মাণ/পুন:নির্মাণ ও ৭.৯৮২ কি:মি: ফুটপাত নির্মাণ/পুন:নির্মাণ কাজ হাতে নেয়া হয়েছে।

অগ্রগতি: আংশিক দরপত্র গ্রহণ করা হয়েছে এবং আংশিক দরপত্র আহবান করা হচ্ছে।

 

 

 

৭.

·        একটি Master Plan প্রস্ত্তত করা হয়েছে।

·        বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ (Waste Management Department) চালু করা হয়েছে।

 

·        Master Plan এর আলোকে ২ (দুই) টি আধুনিক সেনেটারী ল্যান্ডফিল নির্মান করা হয়েছে।

·        জাপান সরকারের অনুদানে সরবরাহকৃত ১০০ টি অত্যাধুনিক বর্জ্যবাহী গাড়ী সংগ্রহ করা হয়েছে।

·        কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি ওয়েষ্ট ম্যানেজমেন্ট কার্যক্রম চলমান।

·        ২৭ টি বর্জ্যবাহী গাড়ী আমিন বাজার সেনেটারী ল্যান্ডফিল প্রকল্পের আওতায় ক্রয় করা হয়েছে।

·        বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে ৩ টি Excavator ও ৩ টি Bulldozer ক্রয় করা হয়েছে।

·        বর্জ্যবাহী গাড়ীর রক্ষনাবেক্ষনের জন্য জাপান সরকারের অনুদানে একটি আধুনিক ওয়ার্কশপ নির্মান করা হয়েছে।

·        বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা আনয়নের জন্য জনগনের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রচারনা কার্যক্রম চলমান।

·        ইলেকট্রিক মিডিয়ায় প্রচারের জন্য টিভি ফিলার কার্টুন নির্মান করা হয়েছে যা বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচারের  ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

·        সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্বার্থে ঢাকা শহরের উত্তর ও দক্ষিনে আরো ২ (দুই) টি সেনেটারী ল্যান্ডফিল নির্মানের স্থান নির্ধারণসহ অর্থায়ন।

·        বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জনগনের সম্পৃক্ততা বাড়ানো (বিশেষ করে উৎসে বর্জ্য পৃথকীকরণ)।

·        বর্তমানে ঢাকা শহরের দৈনিক ৪০০০ টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়। 3R কার্যক্রমের মাধ্যমে বর্জ্য পুন চক্রায়নের ব্যবস্থা করা।

·        দাতা সংস্থা/বে-সরকারী উদ্যোগে বর্জ্য থেকে কম্পোষ্ট, গ্যাস সংগ্রহ, বিদ্যুৎ ও ডিজেল  উৎপাদনের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে।

·        সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্বার্থে ঢাকা শহরের উত্তর ও দক্ষিনে আরো ২ (দুই) টি সেনেটারী ল্যান্ডফিল নির্মান প্রয়োজন।

·        ঢাকা শহরের প্রতিদিনের উৎপন্ন আবর্জনা বিজ্ঞান ও পরিবেশ সম্মত উপায়ে ল্যান্ডফিলের জন্য Detailed Area Plan (DAP) এ ঢাকা শহরের উত্তর ও দক্ষিন দিকে আরোও দুইটি ল্যান্ডফিলের স্থান চিহ্নিত করার জন্য পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

·        জনগনকে উদ্বুদ্ধকরণে গনমাধ্যমকে সম্পৃক্ত করা।

 

 

৮.

ঢাকা সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের সরাসরি তত্বাবধানে ১টি জেনারেল হাসপাতাল (১৫০ শয্যা), ১টি শিশু হাসপাতাল (১০০ শয্যা), ১ টি মাতৃসদন (৩১ শয্যা) এবং ৬২টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ১০টি মাতৃসদনের মাধ্যমে ঢাকা মহানগরীতে প্রাথমিক, মাতৃমঙ্গল ও প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে।

জানুয়ারী/০৯ হতে অক্টোবর/১০ পর্যমত ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতাল (১৫০ শয্যা) এর বহিঃ বিভাগে ১৮১০২৩ জন, অন্তঃবিভাগে ১৯৬১৯ জন রোগীকে স্বাস্থ্য সেবা এবং ১৫২৮ টি অপারেশন করা হয়েছে।

জনবলের স্বল্পতা, আবাসন সমস্যা

প্রেষণে চিকিৎক নিয়োগের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরাসরি নিয়োগের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।

 

 

জানুয়ারী/০৯ হতে অক্টোবর/১০ পর্যমত ঢাকা মহানগর শিশু হাসপাতাল (১০০ শয্যা),এর বহিঃ বিভাগে ১৪৪১২ জন, অন্তঃবিভাগে ৫৮৩৪ জন রোগীকে স্বাস্থ্য সেবা এবং ২০০ টি অপারেশন করা হয়েছে।

 

জানুয়ারী/০৯ হতে অক্টোবর/১০ পর্যমত নাজিরা বাজার মাতৃসদন (৩১ শয্যা), এর বহিঃ বিভাগে ১৯৫৬১ জন, অন্তঃবিভাগে ৬৮৯ জন রোগীকে স্বাস্থ্য সেবা এবং ৪৪ টি অপারেশন করা হয়েছে।

 

ঢাকা সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের সরাসরি তত্বাবধানে ২য় আরবান প্রাইমারী হেলথ্ কেয়ার প্রকল্পের ৬২টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ১০টি মাতৃসদনের মাধ্যমে ঢাকা মহানগরীতে প্রাথমিক, মাতৃমঙ্গল ও প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হচ্ছে। একটি মাতৃসদনের নির্মানকাজ সমাপ্ত করা হয়েছে (ইতোপূর্বে ছয়টি নির্মিত হয়েছে এবং তিনটি ভাড়া বাড়িতে চলছে।)

 

প্রদত্ত সেবার সংখ্যাঃ (২০০৯-২০১০ অর্থ বছর), প্রসব পূর্ববর্তী সেবা - ২৪৯২৪৯, ২৪০৬৭৯ (পূর্ববতী বছর)

হাসপাতাল ডেলিভারী  - ১৪৯৬৪, ১৪৮৩১ (পূর্ববতী বছর), প্রসব পরবর্তী সেবা - ৫৮০৬৫, ৫৩৩৬৬ (পূর্ববতী বছর)

শিশু স্বাস্থ্য - ১৯২৪২৯৯, ১৬৭২৪২৪ (পূর্ববতী বছর) পুষ্টি সেবা-শিশু ১১৫৩৯৭, ১০৪১৭৭(পূর্ববতী বছর), মা- ৬৪১৫৩,  ৩৪৫৪০(পূর্ববতী বছর), পরিবার পরিকল্পনা সেবাু৩৭০১৪৭, ৩৪১৮১৬ (পূর্ববতী বছর),

নাই

নাই

 

 

প্রকল্পের আওতায় ঢাকা শহরে ১০টি VCT Centre হতে RTI/STD& HIV / AIDS Program এর আওতায় সম্পূর্ন বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হয়। ৩ জন HIV আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয়।

 

RTI/STD& HIV / AIDS Program এর আওতায় স্বাস্থ্য সেবা গ্রহীতার সংখ্যা -১১৬১৯৫ (২০০৯-২০১০ অর্থ বছর) -১১৬২৭১ (পূর্ববতী বছর) DOTS Program এর মাধ্যমে সম্পূর্ন বিনামূল্যে যক্ষ্মা রোগীর চিকিৎসা প্রদান করা হয়। চিকিৎসা গ্রহনকারী রোগীর সংখ্যা - ১৮০৪৯১ (২০০৯-২০১০ অর্থ বছর),  ২৬৯৮২ (পূর্ববতী বছর)

 

 

 

 

            

 

 

 




ক্রমিক নং

প্রতিবেদন

মন্তব্য

রূপকল্প ২০২১বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

 

জানু’২০০৯-ডিসে’২০০৯

জানু’২০১০-ডিসে’২০১০

৯.

রূপকল্প ২০২১ বাসত্মবায়নে আইসিটি খাতের সম্ভাবনাকে স্বার্থক করে তোলার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১।কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

 

 

 

 

ডিসিসি’র প্রতিটি জোন অফিসে একই নেটওয়ার্ক (LANand WN)এর আওতায় আনার জন্য ২০০৯ সালে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন  হয়েছে। টেন্ডার ডকুমেন্ট টিইসি কমিটি কর্তৃক মূল্যায়ন করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের অনুমোদেন পাওয়া গেলে পরবর্তী কার্যক্রম  গ্রহণ করা হবে।

 ১। নিজস্ব দক্ষ জনবলের অভাব।

 

২।ফান্ডের অপর্যাপ্ততা।

১। ডিসিসির নতুন অর্গানোগ্রাম এর কাজ চলমান।

কম্পিউটার সেলে বর্তমানে নিজস্ব কোন জনবল নাই।

২। হোল্ডিং ট্যাক্স অটোমেশন।

 

 

ডিসিসি’র ৩ টি অঞ্চল-৫, ৯, ১০ এর হোল্ডিং ট্যাক্স প্রক্রিয়া অটোমেশন করাহয়েছে। 

অঞ্চল-৫, ৯ ও ১০ এর সকল হোল্ডিং information,ডাটাবেসে সংরক্ষণ ও আপডেট করা হচ্ছে এবং হোল্ডিং গ্রাহকগণকে কম্পিউটার জেনারেটেড বিল বই সরবরাহ করা হচ্ছে।

অঞ্চল-৬, ৭ ও ৮ এর  হোল্ডিং ট্যাক্স প্রক্রিয়া অটোমেশন কার্যক্রম চলমান আছে।  

১। নিজস্ব দক্ষ জনবলেরঅভাব।

 

২। ফান্ডের অপর্যাপ্ততা।

 

৩। প্রয়োজনীয় কম্পিউটার/ প্রিন্টার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির অপর্যাপ্ততা।

১। প্রশিক্ষনের মাধ্যমে নিজস্ব দক্ষ জনবল বৃদ্ধি করা।

 

২। প্রয়োজনীয় কম্পিউটার/ প্রিন্টার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সরবরাহ।

 

৩। ওয়েবসাইট।

২০০১ সালে ডিসিসির ওয়েবসাইট অন লাইনে প্রদান করা হয়েছে।

 

হাল নাগাদ ওয়েবসাইট আপডেট করা হয়েছে।

বর্তমানে Regularভিত্তিতে information updateকরা হয়।

Tender information advertisementসহ আরও বিভিন্ন তথ্য onlineএ  Publishedকরা হচ্ছে।  

-

­-

 

 

 

৪। কম্পিউটারায়ন।

 

ডিসিসি’র প্রতিটি বিভাগ/ উপ-বিভাগে কম্পিউটার, প্রিন্টার. ইউপিএস সরবরাহ করা হয়েছে।

ডিসিসি’র প্রতিটি বিভাগে কম্পিউটার, প্রিন্টার. ইউপিএস সরবরাহ করে  কম্পিউটারায়ন করা হয়েছে।

 

 

বর্তমানে ডিসিসি’র বিভিন্ন দপ্তরের চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটার, প্রিন্টার. ইউপিএস সরবরাহ ও প্রয়োজনীয় সংস্কারকরা হচ্ছে।

কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের অভাব।

 

ডিসিসিতে বর্তমানে কোন প্রশিক্ষন ইউনিট নাই। তাই কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের বিভিন্ন পেশা ভিত্তিক একটি আধুনিক প্রশিক্ষন ইউনিট স্থাপন করা প্রয়োজন।

 

 

 

৫। বার্থ-সার্টিফিকেট অটোমেশন।

 

 

 

সকল অঞ্চল হতে কম্পিউটার জেনারেটেড বার্থ সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে।

বর্তমানে প্রতিটি জোনে কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে বার্থ সার্টিফিকেট প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে দ্রুততার সাথে নাগরিক সেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে। অঞ্চল-৫ এর বার্থ সার্টিফিকেট applicationপ্রক্রিয়াটি অনলাইনে ছাড়ার কার্যক্রম চলমান।  

১। নিজস্ব দক্ষ জনবলের অভাব।

 

২। ফান্ডের অপর্যাপ্ততা।

 

৩। প্রয়োজনীয় কম্পিউটার/ প্রিন্টার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির অপর্যাপ্ততা।

১। প্রশিক্ষনের মাধ্যমে নিজস্ব দক্ষ জনবল বৃদ্ধি করা।

 

২। প্রয়োজনীয় কম্পিউটার/প্রিন্টার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সরবরাহ।

 

৬। র্মকর্তা/ কর্মচারীদের তথ্য ও বেতন অটোমেশন।

 

ডিসিসি’র বেতন কার্যক্রম ও কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের তথ্য সংরক্ষনের জন্য সফট্ওয়্যার প্রস্ত্তত করা হয়েছে।

 

বর্তমানে সফ্টওয়্যারটি পুরোপুরি ভাবে ব্যবহার করার জন্য ঐঁসধহ জবংড়ঁৎপব উবাবষড়ঢ়সহ ডিসিসি’র হেড অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের   বেতন ভাতাদি কার্যক্রম কম্পিউটারাইজড প্রক্রিয়ায় সম্পন্নের কার্যক্রম চলমান আছে।

নিজস্ব দক্ষ জনবলের অভাব।

 

 

প্রশিক্ষনের মাধ্যমে নিজস্ব দক্ষ জনবল বৃদ্ধি করা।

 

 

 

৭। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী।

 

 

ডিসিসি’র জোনাল অফিস ও হেড অফিস (বিভাগীয় প্রধান) কম্পিউটার ইন্টারনেটের আওতায় আনা হয়েছে।

বর্তমানে ডিসিসি’র জোনাল অফিস ও হেড অফিসের গুরুত্বপূর্ন  সকল কম্পিউটার এ ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের  কার্যক্রম চলমান আছে।

কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষনের অভাব।

 

 

কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জন্য প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

 

 

 

৮। ডিসিসি’র সকল ওয়ার্ডের মানচিত্রে সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য সন্নিবেশ করে তথ্য ভিত্তিক GISমানচিত্র প্রণয়ন করার পরিকল্পনা। প্রণীত GISমানচিত্রসমূহ ডিসিসি’র বিভিন্ন বিভাগ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান অথবা ব্যক্তির পরিকল্পনা উন্নয়ন ও গবেষণা বিষয়ক কাজে ব্যবহার।

১৯৯৮সাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যমত্ম ৯০টি ওয়ার্ডের GISভিত্তিক মানচিত্র প্রণয়ন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ২০১০ সালে ২টি ওয়ার্ডের (৯১ ও ৯২) ও সম্প্রসারিত ডিসিসি এলাকার তথ্য ভান্ডার ও জিআইএস ভিত্তিক মানচিত্র প্রণয়নের কাজ চলমান।

GISকাজের সাথে সংশ্লিষ্ট পদসহ ডিসিসি'তে GISসেল থাকা প্রয়োজন।

ডিসিসি’র নগর পরিকল্পনা বিভাগে GISসংশ্লিষ্ট ৬টি নতুন পদসহ মোট ৮টি পদের প্রসত্মাব প্রস্তাবিত অর্গানোগ্রামে অমতর্ভূক্ত করা হয়েছে। প্রস্তাবিত অর্গানোগ্রামটি অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

 

         

 


 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনঃ

ক্রঃ নং

প্রকল্পের নাম

প্রাক্কলিত ব্যয়

(লক্ষ টাকায়)

বাস্তবায়ন কাল

উদ্দ্যেশ্য

০১।

সমাপ্ত প্রকল্পঃ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আওতাধীন অনুন্নত এলাকার কাঁচা রাস্তা, ড্রেইনউন্নয়ন/মান উন্নয়ন, রিটেননিং ওয়াল ও ব্রীজ/কালভার্ট সমূহের উন্নয়ন।  (৪৩.৪৮ কি. মি. রাস্তা)

১৯৬০.০০

 

সেপ্টেম্বর, ২০০৮- জুন, ২০১০

মহানগর এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন।

০২.

 

চলতি সনে সমাপ্য প্রকল্পঃ  ক) নিকটবর্তী রাস্তাসহ মহেশখালের উন্নয়ন  এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর সড়কেরঅসমাপ্ত কাজ সমাপ্তকরণ।  (ফুটপাত-৪.৬ কি. মি., ড্রেইন-২.৭৭ কি. মি., অযান্ত্রিক লেইন-৬.৯ কি. মি. রাসত্মা-১৮ কি. মি., রি/ওয়াল-৫ কি. মি.   

২৪২৪.০০

জুলাই, ২০০৮ -

 জুন, ২০১১

মহানগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ জলাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং ড্রেনেজ সুবিধা বৃদ্ধি ও পরিবেশ উন্নয়ন।

খ) সংযোগ সড়ক নির্মাণসহ রাজাখালী খালের  উন্নয়ন।

রাসত্মা-৮.৬৬ কি. মি., ব্রীজ-৩টি

 

 

২০৩০.০০

 

জুলাই, ২০০৮

 - জুন, ২০১১

মহানগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ জলাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং ড্রেনেজ সুবিধা বৃদ্ধি ও পরিবেশ উন্নয়ন। 

৩.

মহাজোট সরকারের অনুমোদিতপ্রকল্প ক) বাণিজ্যিক শহর চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত  উন্নয়ন, পরিবেশ  ও পয়ঃ নিষ্কাশণ ব্যবস্থার উন্নয়ন।

(রাস্তা-৩.৫ কি. মি., খাল-৫.৭৯ কি. মি., ড্রেইন-২০.২৯ কি. মি., রি/ওয়াল-১৭ কি. মি., ব্রীজ-৫টি, সেবক কলোনী-৮০০০ বঃ মি., ট্রাফিক সিগন্যাল-২৫টি ও অন্যান্য।

৯৫০৯.০০

 

ফেব্রম্নয়ারী, ২০০৯ - জুন, ২০১২।

মহানগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ জলাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং ড্রেনেজ সুবিধা বৃদ্ধি ও পরিবেশ উন্নয়ন।

 

খ) চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন এলাকার অবকাঠমো উন্নয়ন প্রকল্প।

 

৮৬৯৪.০০

 

জানুয়ারী’২০১০ -

 জুন’২০১২

আসন্ন বিশ্বকাপ ক্রিকেট’১১ উপলক্ষ্যে মহানগরীর উন্নয়ন।

 

গ) গার্ভেজ কালেকশন, ডিসপোজাল এন্ড টিট্রমেন্ট।

 

২৪৫০.০০

জুলাই’২০০৯-

জুন’২০১১

মহানগরীর আবর্জনা পরিষ্কার ও পরিবেশ উন্নয়ন।

 

ঘ) বহদ্দারহাট মোড় হইতে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত মেরিনার্স বাইপাস সড়ক উন্নয়নসহ ডাইভারশান খাল ও সন্নিহিত খাল সমূহের রক্ষনাবেক্ষণ।

৫৭২৪.২৪

জানুয়ারী’২০১০-

 জুন’২০১২

মহানগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ জলাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং ড্রেনেজ সুবিধা বৃদ্ধি ও পরিবেশ উন্নয়ন।

৪.

মোট থোক বরাদ্দ

৪১০০.০০

১৭০০.০০

মহনগরীর যোগাযোগ ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ সার্বিক উন্নয়ন। 

 

 


 

সিলেট সিটি কর্পোরেশনঃ

ক্রমিক নং

প্রতিবেদন

মন্তব্য

রুপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা

(যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

সিটিজেন চার্টার এর মাধ্যমে নাগরিক সেবার মান উন্নয়ন।

 সিটিজেন চার্টার এর মাধ্যমে দ্রুততার সহিত কাজ সম্পাদন করা হচ্ছে।

-

-

 

তথ্য কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে নগরবাসীকে উন্নত সেবা প্রদান।

তথ্য কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে তথ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

-

-

 

পাঠাগার স্থাপনের মাধ্যমে নগরবাসীর জ্ঞান চর্চা ও শিক্ষার মান উন্নয়ন।

২৭টি ওয়ার্ডের ওয়ার্ড পাঠাগার স্থাপনের লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে, বর্তমানে ১৩টি পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে। অবশিষ্ট ১৪টি স্থাপন প্রক্রিয়াধীন।

-

-

 

রাস্তা, ড্রেন, কালভার্ট ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মানের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন।

নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাস্তা উন্নয়ন-১১০ কিমি, ড্রেন নির্মান-৪৬ কিমি, ২ কিমি নদীর তীর সংরক্ষন ও সিসি ব্লক দ্বারা উন্নয়ন করে ওয়াকওয়ে নির্মান, ৪০টি ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন, ৭তলা বিশিষ্ট পীর হাবিবুর রহমান পাঠাগার নির্মান, ১২ তলা বিশিষ্ট নগর ভবন নির্মান করা হচ্ছে, রিটেইনিং ওয়াল নির্মান ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মানের মাধ্যমে  নাগরিক সেবা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

-

-

 

নাগরিকবৃন্দকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদান, মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবার মান নিশ্চিত করা।

 

টিকাদান ও স্বাস্থ্য সেবা  কেন্দ্র স্থাপন করে সবার জন্য স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা হচ্ছে। তাছাড়া একটি নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মান করা হয়েছে এবং ৪টি প্রক্রিয়াধীন।

-

-

 

নগরবাসীকে পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করন।

২০টি ডিপটিউবওয়েল ও ৫০ কিমি পাইপ লাইন স্থাপন করা হয়েছে।

-

-

 

ভূপৃষ্ট পানি সরবরাহ।

 

 ২টি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপন কাজ অগ্রগতি হচ্ছে।

-

-

 

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন।

ক)  ১টি স্বাস্থ্য সম্মত স্যানিটারী  ল্যান্ডফিল নির্মান প্রক্রিয়াধীন।

খ) ১টি আধুনিক Slaughter House নির্মান প্রক্রিয়াধীন।

-

-

 


 

উপজেলা শাখা

ক্রঃনং

প্রতিবেদন

মন্তব্য

 

রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা

(যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

০১

স্থানীয় সরকার তথা উপজেলা পরিষদের কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে আরো গতিশীল ও শক্তিশালীকরণ তথা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে উপজেলা পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনায় আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন, নির্দেশিকা ও ম্যানুয়েল জারিকরণ।

01)    উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ (২০০৯ সনের ২৭নং আইন),

02)    উপজেলা পরিষদ রাজস্ব তহবিল ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০০৯

03)   উপজেলা পরিষদ (কার্যক্রম বাস্তবায়ন) বিধিমালা, ২০১০

04)    উপজেলা পরিষদে হস্তান্তরিত দপ্তরসমূহের কর্মকর্তাগনের কর্মতালিকা (Charter of Duties)

05)    উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান (দায়িত্ব, কর্তব্য ও আর্থিক সুবিধা) বিধিমালা, ২০১০

06)   উপজেলা পরিষদ উন্নয়ন তহবিল ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১০

07)    উপজেলা পরিষদের গাড়ী ব্যবহার ও জ্বালানী সরবরাহ সংক্রান্ত পরিপত্র।

08)    উপজেলা পরিষদ (বাজেট প্রনয়ন ও অনুমোদন) বিধিমালা, ২০১০

09)    উপজেলা পরিষদ কর্মচারী (চাকুরী) বিধিমালা, ২০১০

10)    উপজেলা পরিষদ (চুক্তি) বিধিমালা, ২০১০

11)     উপজেলা পরিষদ (চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও সদস্যগনের ছুটি) বিধিমালা, ২০১০

12)    উপজেলা পরিষদ (সম্পত্তি অর্জন, হস্তান্তর, রক্ষনাবেক্ষন ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা, ২০১০

13)    উপজেলা পরিষদ ম্যানুয়েল।

 

 

 

০২

প্রশিক্ষন

উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করা তথা আইসিটি ব্যববহারের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে উতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক্সস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রাম এর আওতায় সকল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে (৪৮১ জন) প্রশিক্ষন প্রদান এবং একটি করে ল্যাপটপ (মডেমসহ) প্রদান করা হয়েছে। গত ১২/০৪/২০১০খ্রিঃ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ কার্যক্রমের শুভ উদ্ভোধন করেছেন। তাছাড়া সকল ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারদেরকেও প্রশিক্ষন প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

 

 

 

 

যানবাহন

উপজেলা পরিষদ কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কার্যক্রম পরিদর্শন/ দাপ্তরিক কাজে ব্যবহারের জন্য ৪৮১ টি উপজেলা পরিষদের মধ্যে ৩৬০টি উপজেলা পরিষদের অনুকুলে নতুন পাজেরো জীপ গাড়ী সরবরাহ করা হয়েছে এবং অবশিষ্ট উপজেলা পরিষদে ধারাবাহিকভাবে পাজেরো জীপ গাড়ী প্রদান অব্যহত রয়েছে।

 

 

 

০৪

তথ্য প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট ব্যবহার

প্রতিটি উপজেলায় রাজস্ব তহবিলের অর্থায়নে ইন্টারনেট কানেকশনের জন্য অনুমতি প্রদানঃ

উপজেলা পরিষদ সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় এখন স্থানীয় সরকার বিভাগের www.lgd.gov.bd ওয়েব সাইটে প্রকাশ; এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের ওয়েবসাইটে সকল উপজেলা চেয়ারম্যানগণের ই-মেইল ঠিকানা  প্রস্তুত ও প্রকাশ করা হয়েছে।

 

 

 

 

পৌর-২ শাখা

 

ক্রঃনং

প্রতিবেদন

মন্তব্য

 

রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা

(যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণেগৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

 উপজেলা সদর ও বর্ধিঞ্চু শিল্পকেন্দ্রগুলোকে শহর উপ- শহর হিসেবে গড়ে তোলা

সাম্প্রতিক কালে গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা সদর এবং জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলা সদর-কে পৌরসভা ঘোষনা করা হয়েছে। পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলাধীন কুয়াকাটাকে পৌরসভায় উন্নীত করণের এস.আর ও প্রজ্ঞাপণ জারীর লক্ষ্যে প্রস্তাব লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়াও কয়েকটি উপজেলা শহর ও বর্ধিঞ্চু শিল্পাঞ্চল থেকে নূতন পৌরসভা গঠনের প্রস্তাব পাওয়ার প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন অনুযায়ী, ২০০৯ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

 

 

 

 

পৌরসেবা ও নাগরিক সুযোগ বৃদ্ধি এবং যথাযথ মান উন্নয়ন করা হবে।

বর্তমান সরকারের আমলে ১০টি ‘গ’শ্রেণীর পৌরসভা-কে খ-শ্রেণীতে এবং ০৯টি খ-শ্রেণীর পৌরসভা-কে ক শ্রেণীর পৌরসভায় উন্নীত করা হয়েছে। এরুপ শ্রেণী উন্নীত করার ফলে নাগরিক সুযোগ সুবিধা ও সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে।

বর্তমানে দেশে মোট পৌরসভার সংখ্যা ৩১০টি। গত ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরের এডিপিতে পৌরসভা উন্নয়ন সহায়তা থেকে বরাদ্দ ২৫০.০০ কোটি টাকা হতে পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ এবং পৌর ভবন/ অডিটরিয়াম নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ মঞ্জুরী দেওয়া  হয়েছে। চলতি ২০১০-২০১১ অর্থ বছরের এডিপিতে বরাদ্দকৃত ২৭০.০০ কোটি টাকা হতে ইতোমধ্যে নিয়মিত বরাদ্দের ১ম ও ২য় কিস্তির অর্থ ছাড় করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে নিয়মিত বরাদ্দের অবশিষ্ট কিস্তি এবং অন্যান্য বরাদ্দ ছাড়ের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

 

 

 


 

জেলা পরিষদ শাখাঃ

 

ক্রঃনং

প্রতিবেদন

মন্তব্য

 

রূপকল্প ২০২১    বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা

(যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

০১

দারিদ্র দুরীকরণ

দারিদ্র নিরসন ও নারী উন্নয়নের লক্ষ্যে গত অর্থ বছরে দুঃস্থ, অসহায় ও বিধবামহিলাদের সেলাই, এমব্রডায়রী, পশুপালন প্রশিক্ষণ এবং সেলাই মেশিন ও গবাদি পশু বিতরণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং বর্তমানেও উক্ত কার্যক্রম চলছে।

-

-

এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা/ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে স্মৃতি স্থাপনা নির্মাণ এবং যুদ্ধাহত ও পগু মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসনে প্রকল্প, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মানব সম্পদ উন্নয়নে আইসিটি’র উপর অধিকতর গুরুত্বারোপ, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়নে তৃণমূল পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা প্রসারে প্রকল্প গ্রহণ, কৃষি উন্নয়নে টেকসই প্রযুক্ত ব্যবহারের লক্ষ্যে সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণের উপর প্রকল্প গ্রহণ, অনাথ ও সহায় সম্বলহীন শিশু ও কিশোরদের জীবিকা উন্নয়নের জন্য মাতৃসদন ও নারী উন্নয়ন কেন্দ্রের সাথে সমন্বয় করে কারিগরি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

০২

যোগাযোগ ও ভৌত অবকাঠামো

জেলা পরিষদসমূহ তাদের নিজস্ব আয়ের (সংস্থাপন ব্যয় ব্যতীত) ৪৫% ব্যয় করছে রাস্তাঘাট, ব্রিজ, পুল-কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ডাকবাংলো নির্মাণ কাজে। এছাড়া এডিপি বরাদ্দের আওতায় নির্মিত হচ্ছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রাস্তাঘাট, ব্রিজ ও পুল- কালভার্ট।

-

-

০৩

সংস্কৃতি ওক্রীড়া

জেলা পরিষদসমূহ তাদের নিজস্ব আয়ের (সংস্থাপন ব্যয় ব্যতীত) ১০% ব্যয় করেছে ক্রীড়া, সংস্কৃতি, জাতীয় কর্মসূচী, ধর্মীয় ও সামাজিক কল্যাণমূলক খাতে।

-

-

০৪

স্যানিটেশন ও পানি সরবরাহ

জেলা পরিষদসমূহ এডিপি বরাদ্দের ১০% অর্থ ব্যয় করে স্যানিটেশন ও আর্সেনিকমুক্ত টিউবওয়েল স্থাপন খাতে। নিরাপদ  আর্সেনিকমূক্ত পানি সরবরাহের লক্ষ্যে জেলা পরিষদসমূহ তাদের নিজস্ব আয়েও টিউবওয়েল স্থাপন করছে।

-

-

০৫

স্বাস্থ্য সেবা

জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিলের অর্থায়নে দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপনের মাধ্যমে স্বল্প আয়ের জনগোষ্টীকে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

-

-

০৬

পরিবেশ উন্নয়ন

বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে বিশ্ব উঞ্চায়নের প্রভাব থেকে রক্ষা ও দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে জেলা পরিষদ সহায়ক ভুমিকা পালন করছে। এজন্য বৃক্ষ রোপন খাতে জেলা পরিষদের নিজস্ব বাজেটে ৫% বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

-

-

০৭

বিদ্যুৎ সমস্যা

দেশের চলমান বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে সহায়ক কার্যক্রম হিসেবে জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিলের অর্থায়নে ক্ষুদ্র পরিসরে সৌর বিদ্যুৎ প্লান্ট স্থাপনের বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

 

 

-

-

০৮

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রযুক্তিতে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার সরবরাহ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের পর্যায়ক্রমে কম্পিউটার প্রশিক্ষন কর্মসূচী গ্রহণ, জেলা পরিষদসমূহের নিজস্ব ওয়েবসাইট খোলাসহ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষন দেয়ার জন্য বিভিন্ন কম্পিউটার প্রশিক্ষন কেন্দ্রে কম্পিউটার সরবরাহ এবং ছাত্র সমাজকে আইটি বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে আগামী ২০১০-২০১১ অর্থবছরে স্কুল পর্যায়ে কম্পিউটার বিতরণের পরিকল্পনা গ্রহণ। জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে জনগণের জন্য ফ্রি ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

 

 

 

 

 


 

ইউনিয়ন পরিষদ শাখাঃ

 

ক্রঃনং

প্রতিবেদন

মন্তব্য

 

রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা

(যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

০১

 স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন,২০০৯

বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর স্থঅনীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ মহান জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে এবং গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

 

 

 

০২

 ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের আনুতোষিক

ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের সংশোধিত আনুতোষিক বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

 

 

 

০৩

ইউনিয়ন পরিষদ কর্মকর্তা/ কর্মচারী চাকুরী বিধিমালা

ইউনিয়ন পরিষদ কর্মকর্তা/ কর্মচারী বিধিমালা, ২০১০ প্রণয়ন করতঃ চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। অনুমোদন পাওয়ার পর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং নিয়ে গেজেটে প্রকাশ করা হবে।

 

 

 

০৪

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন আইন,২০০৪

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪ সংশোধন করা হয়েছে।

 

 

 

০৫

চেয়ারম্যান ও সদস্যাদের সম্মানী ভাতা বৃদ্ধি

বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর নিন্মরুপভাবে চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সম্মানী ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছেঃ চেয়ারম্যান-৩০০০/- থেকে ৩৫০০/-টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। সদস্য- ১৫০০/- থেকে ২০০০/- টাকায় উন্নীত।

 

 

 

০৬

গ্রাম- পুলিশদের বেতন

দফাদার-১৬০০/- থেকে ২১০০/- টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। মহল্লাদার- ১৯০০/- থেকে ১৯০০/- টাকায় উন্নীত।

 

 

 

০৭

নতুন ইউনিয়ন সৃষ্টি

বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ২৭টি নতুন ইউনিয়ন সৃষ্টি করা হয়েছে।

 

 

 

০৮

One Stop হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের স্থান নির্বাচন

বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর One Stop হিসেবে ২১৫টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের স্থান নির্বাচনের অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।

 

 

 

 


 

জিওবি-ডানিডা অর্থায়নে WSSPS-IIপ্রোগ্রামঃ

 

ক্রমিক নং

প্রতিবেদন

মন্তব্য

রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

জানুয়ারী ২০০৯  - নভেম্বর ২০১০

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

·             ২০১১ সালের মধ্যে সকলের জন্য নিরাপদ পানি এবং ২০১৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সকর পরিবারের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন নিশ্চিত করার জন্যপ্রধান কার্যক্রম সমূহ

লক্ষ্যমাত্রা

জানুয়ারী ২০০৬  - ডিসেম্বর ২০১০

 

১.

স্কুল ও কমিউনিটি ল্যাট্রিন স্থাপন

৮১০টি

৪১১টি

 

 

 

২.

স্যানিটেশন ল্যাট্রিন (স্বউদ্যোগে ণির্মীত)

১২,৩৭,২৫০টি

৮,২৭,২১১টি

 

 

 

৩.

হাইজিন প্রশিক্ষণ প্রদান

৮০,৬৭৭টি

৪১,২২৯টি

 

 

 

৪.

কমিউনিটি প্রশিক্ষণ প্রদান

১৮৭,৩৬৭টি

৫১,৭৮৬টি

 

 

 

৫.

গভীর নলকূপ স্থাপন

১৭,২৬২টি

৯,৩৮৫টি

 

 

 

৬.

ডিপসেট হ্যান্ডপাম্প  স্থাপন

১৪,৯৯৪টি

৭,১৩৫টি

 

 

 

৭.

৪টি পৌরসভাসহ গ্রামীন এলাকায় পাইপ ওয়াটার সাপ্লাই

৪টি পৌরসভা

এই পর্যায়ে ৪টি সহ মোট ৯টি পৌরসভার পাইপ ওয়াটার স্থাপনা

 

 

 

৮.

অন্যান্য পানি সরবরাহ স্থাপনা

৪৭৪টি

২৬১টি

 

 

 

৯.

ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভা প্রতিনিধিদের প্রাশিক্ষণ প্রদান

১২,৩৫০ জন

৬,১৭১টি

 

 

 

১০.

সেক্টর প্রফেসনাল প্রশিক্ষণ প্রদান

৫০০ জন

৬৭১টি

 

 

 

১১.

বিভিন্ন  এনজিও, সরকারী স্টাফ ও কর্মকর্তা, প্রকল্পের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান

৯,৮৮৫জন

৮,৭১১টি

 

 

 

১২.

ফেলোশীপ প্রশিক্ষণ

৪০জন

২২জন

 

 

 

১৩.

এ্যাডভোকেসী ও প্রোমোশনাল কার্যক্রম

২,৫৯২টি

১,৬১৭টি

 

 

 

১৪.

সেক্টর ডেভেলপমেন্ট  প্রোগ্রাম রিভাইজড

সেক্টর ডেভেলপমেন্ট পরিকল্পনা চূড়ান্তভাবে আছে।

১৫.

ওয়াটার সেইফটি ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন

প্রণয়নের কাজ চলছে

১৬.

হাইজিন  প্রোমোশন কৌশলপত্র

 ডিসেম্বর ২০১০ সালের মধ্যে হাইজিন প্রোমোশন কৌশলপত্র তৈরী করা হবে।

১৭.

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে গৃহীত কর্মকান্ড

·     ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অনলাইনে ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য ওয়েব ভিত্তিক অনলাইন রিপোর্টিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বর্তমানে ৩৫০টিরও অধিক ইউনিয়ন পরিষদ এই ব্যবস্থায় হাইসাওয়াতে ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রেরণ করছে।

·     ২৮০টি ইউনিয়নে কম্পিউটার স্থাপন করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদকে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

·     WSS সেক্টর এর জন্য জাতীয় পর্যায়ের MIS তৈরীর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে যা চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে।

১৮.

প্রত্যক্ষভাবে দারিদ্র নিরসন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি সংশ্লিষ্ট কর্মকান্ড

·     হাইসাওয়া প্রকল্পের আওতায় প্রকল্পের মেয়াদকালীন ১২৪২ জন এবং খন্ডকালীন ৫,৫২০ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রত্যক্ষভাবে দারিদ্র নিরসনে সহায়ক।

 

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশন

 

ক্রঃ নং

প্রতিবেদন

মন্তব্য

রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

 

 

মত বিনিময় সভার মাধ্যমে একাধিক মনিটরিং কমিটি গঠন। মনিটরিং কমিটি কর্তৃক দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে বাজার নিয়মিত পরিদর্শন। দোকানে দোকানে ক্রয়-বিক্রয় মূল্য টানানো, ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

 

 

রমজান মাসে বাজার যথাযথ ভাবে মনিটরিংয়ের মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে রাখা সম্ভব হয়েছে।

 

 

সিটিজেন চার্টার প্রকাশ করা হয়েছে।

নন ষ্টপ সার্ভিস চালু করা হয়েছে।

ব্যাংকের মাধ্যমে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় শুরু হয়েছে।

১২ জনকে চাকুরী হতে সাময়িক ভাবে কর্মচ্যুত করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় আরও ৪জন কর্মচারীকে চাকুরী হতে বরখাস্ত করা হয়েছে। 

 

 

 

 

 

বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধান কল্পে কেসিসি’র সোনাডাঙ্গাস্থ সোলার এনার্জি পার্ক-এ সোলার এনার্জি উৎপাদন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা সহ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ভাল্ব সড়ক বাতি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

 

 

 

 

 

হত দরিদ্রদের মাঝে সেলাই মেশিন ও নগদ অর্থ বিতরণ এবং ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুঃস্থদের মাঝে শাড়ী ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়েছে।

 

 

 

 

জনবল নিয়োগ সংক্রান্ত

জনবল নিয়োগের জন্য সংশোধিত সাংগঠনিক কাঠামো মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। সংশোধিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদন হওয়ার সাথে সাথে জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

 

 

 

 

 

জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটিতে প্রতিনিধি প্রেরণ সহ স্থানীয় ভাবে মাদক বিরোধী তৎপরতা পরিচালনা করা হয়।

 

 

 

 

 

মহানগরীর পানির চাহিদা মেটানোর জন্য ফুলতলা উপজেলা এলাকা হতে অর্ন্তবর্তীকালীন পানি সরবরাহ প্রকল্পের মাধ্যমে ২০টি গভীর নলকুপ স্থাপন সহ সরবরাহ লাইন স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া নবসৃষ্ট খুলনা ওয়াসাকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করা হচ্ছে।

 

 

 

 

 

খুলনা অঞ্চলে বন্ধ নিম্নলিখিত শিল্প প্রতিষ্ঠান সমূহ চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

 

(1)     পিপলস জুট মিল

·         দৌলতপুর জুট মিল

·         খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল

 

 

 

 

 

·           কেসিসি কলেজিয়েট স্কুলের সংখ্যা-৪টি

·           মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়-৬টি

·           প্রাথমিক ও রেজিষ্ট্রার বিদ্যালয়-৩১টি

·           মক্তব ও ফোরকানিয়া মাদ্রাসা-৩৮৪টি

·           মোট ৪২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সাধারণ ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে।

 

 

 

বর্তমানে আলোচ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান সন্তোষজনক। উল্লেখ থাকে যে, কলেজিয়েট স্কুলের বর্তমান ফলাফল খুলনা অঞ্চলের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্যতম।

 

 

* মূজগুন্নি এলাকায় শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছে এবং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

* জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম, ইপিআই কার্যক্রম, সোয়াইনফ্লু ভ্যাকসিন, জাতীয় টিকা দিবস, সিজিনাল ইনফ্লুঞ্জো ভ্যাকসিন, স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের কৃমি নিয়ন্ত্রন কার্যক্রম, যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রন কার্যক্রম, এইচ আই ভি/এইডস, কুকুরে কামড়ানো ইনজেকশন (এআরভি), বিনা মূল্যে স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম, ডায়রিয়া রোগীদের মাঝে স্যালাইন বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

 

 

 

 

 

আর্কিটেক্ট পদে ১(এক) জন নারী প্রার্থীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং  সংরক্ষিতআসনের সম্মানিত মহিলা কাউন্সিলরদের মাধ্যমে নাগরিক সেবা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

 

 

 

 

 

জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্ত্রান শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে গল্লামারীস্থ স্মৃতি সৌধ নির্মান কাজ চলমান রয়েছে।

 

 

প্রকল্পটি আরও অধিক অর্থের প্রয়োজন রয়েছে।

 

 

শহীদ শেখ আবু নাসের স্মারণে খুলনা বিভাগীয় ষ্টেডিয়াম নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।

 

 

 

 

কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান

খুলনা সিটি  কর্পোরেশনে কর্মকর্তা/কর্মচারীদের দক্ষতা আরো বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সময় আঞ্চলিক লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হয়। এছাড়া কর্পোরেশনের দারোয়ানদেরকে অফিসিয়ালী ভাবে প্রশিক্ষন প্রদান করা হয়ে থাকে।

 

 

 

 

বর্তমান অর্থ বছর

(২০১০-২০১১)

এ গৃহীত কার্যক্রম

রাস্তা উন্নয়ন  ঃ ৩৪.৭৯ কিঃমিঃ ; ড্রেন নির্মাণঃ ৪.২২ কিঃমিঃ

জলাবদ্ধতা দূরীকরনে ড্রেনের মাষ্টার প­ান তৈরী ও সড়ক বাতি/ লীড লাইট স্থাপনঃ ১২০০০টি।

গার্বেজ ট্রাক ক্রয়ঃ ১০টি ; স্যানিটারী ল্যান্ডফিল নির্মান ১টি

‘‘খুলনা শহরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ভৌত সুবিধাদির মেরামত ও পূনর্বাসন’’শীর্ষক প্রকল্পটির প্রকল্প ব্যয় ৮২৩.০০ লক্ষ টাকা। উক্ত ৮২৩.০০ লক্ষ টাকা ব্যয় ১০ কিঃ মিঃ রাস্তা, ৩ কিঃ মিঃ রিটেইনিং ওয়াল ও সাইড ওয়াল এবং ২.৩০ কিঃ মিঃ ড্রেন মেরামত/নির্মান করা হয়েছে।

 

        ‘‘খুলনা শহরে ঘূর্ণিঝড় সিডরে ক্ষতিগ্রস্থ নাগরিক সুবিধাদি এবং অন্যান্য অবকাঠামো মেরামত ও পূনর্বাসন’’শীর্ষক প্রকল্পটির প্রকল্প ব্যয় ৭১৩.০০ লক্ষ টাকা। উক্ত ৭১৩.০০ লক্ষ টাকা ব্যয় সড়ক বাতি স্থাপন ৩৭৫০ সেট, সীমান প্রাচীর মেরামত ২০০০ মিটার, কাঁচা বাজার মেরামত ৩৫০০ বঃ মিঃ ওঅন্যান্য অবকাঠামো মেরামত এবং সংস্কার করা হয়েছে।

 

‘‘খুলনা মহানগরীর অবকাঠামোগত সুবিধাদি, ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক সিষ্টেম এবং পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন’’শীর্ষক প্রকল্পটির প্রকল্প ব্যয় ৪৯৮৪.৩৯ লক্ষ টাকা। এ পর্যন্ত ৩৩৪৭.০০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৪৪.৯৪ কিঃ মিঃ রাস্তা উন্নয়ন, ১৮.৪৮ কিঃ মিঃ ড্রেন নির্মান  ও উন্নয়ন করা হয়েছে।

 

‘‘রূপসা ও ময়ূর নদীর পাড়ে লিনিয়ার পার্ক নির্মাণ’’শীর্ষক প্রকল্পটির প্রকল্প ব্যয় ১৯২০.৫০ লক্ষ টাকা। এ পর্যন্ত ১৫০০.০০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১৪ একর ভূমি অধিগ্রহনসহ অন্যান্য কাজ করা হয়েছে।

 

‘‘স্যানিটারী ল্যান্ডফিল নির্মাণ’’শীর্ষক প্রকল্পটির প্রকল্প ব্যয় ৪৭১.৪০ লক্ষ টাকা। এ পর্যন্ত ২২৬.০০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১৭ একর ভূমি অধিগ্রহনসহ অন্যান্য কাজ করা হয়েছে।

‘‘Survey to mitigate water logging problem in Khulna City’’শীর্ষক প্রকল্পটির প্রকল্প ব্যয় ১৩১.৫৬ লক্ষ টাকা। এ পর্যন্ত ২০.০০ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়েছে।

 

‘‘খুলনা মহানগরীর রাস্তা, ফুটপাত সম্প্রসারন ও উন্নয়ন’’শীর্ষক প্রকল্পটির প্রকল্প ব্যয় ৭৪২০.০০ লক্ষ টাকা। এ পর্যন্ত ৭০০.০০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৫.৬৯ কিঃমিঃ রাস্তা ও ফুটপাত মেরামত ও উন্নয়ন করা হয়েছে।

 

 

স্বল্প মেয়াদী

(৩ বছর)

(২০১০-২০১৩)

 ১। সলিড ওয়েষ্ট অপসারনে যানবাহন যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং এ্যাসফল্ট প­ান্ট ক্রয় ও স্থাপন প্রকল্প।  প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৩২৪.০০ লক্ষ টাকা।

কাজের প্রকৃতিঃ হাইড্রোলিক লিফটিং গার্বেজ ট্রাক ক্রয়, টিপিং গার্বেজ ট্রাক ক্রয়, গার্বেজ লোডার ক্রয় ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি ক্রয়।(পিইসি সভা হয়েছে)

 ২। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধার উন্নয়ন। প্রকল্প ব্যয়ঃ ১১৪৯.৪৮ লক্ষ টাকা।

কাজের প্রকৃতিঃ নগর ভবন সম্প্রসারন, বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ড অফিস নির্মান ও জোনাল অফিস নির্মান। (অনুমোদিত)

৩। খুলনা ঐতিয্যবাহী শহীদ মিনার, হাদিস পার্ক ও তৎসংলগ্ন পুকুরের সাইডে পিকনিক কর্নার নির্মাণ প্রকল্প। (আইপিইসি সভা হয়েছে)

প্রকল্প ব্যয়ঃ ৮০০.০০ লক্ষ টাকা।

কাজের প্রকৃতিঃ বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ, পুকুর বাঁধাই করন, ফোয়ারা নির্মাণ, শহীদ মিনার নির্মান, সভা সমাবেশ চত্তর নির্মাণ, ভুমি উন্নয়ন ও বৃক্ষ রোপন। (পিইসি সভা হয়েছে)

৪। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সড়ক বাতি Led Bulb ও প্রতি স্থাপন Re-placement of led Bulb in street প্রকল্প ব্যয়ঃlighting to save Energy.প্রকল্প। প্রকল্প ব্যয়ঃ ১১৩৪.০০ লক্ষ টাকা।

কাজের প্রকৃতিঃ Led Bulb প্রতিস্থাপন, হাইড্রোলিক লোডার ক্রয় ও পিকআপ ক্রয়।

স্যানিটারী ল্যান্ডফিল নির্মান ১টি  (অনুমোদিত)প্রকল্প ব্যয়ঃ ৪৭১.৪০ লক্ষ টাকা।

কাজের প্রকৃতিঃ হাইড্রোলিক এক্সকাভেটর ক্রয়, ভূমিউন্নয়ণ ও ভূমি অধিগ্রহন।

 

মধ্য মেয়াদী

(৫ বছর)

(২০১০-২০১৫)

১। খুলনা মহানগরীর জলাবদ্ধতা দূরীকরণে নদীসহ প্রাকৃতিক খাল পুনঃ খনন, সংরক্ষরন ও ব্রীজ নির্মান প্রকল্প। (পিইসি সভা হয়েছে)।  প্রকল্প ব্যয়ঃ  ৮৬০০.০০ লক্ষ টাকা।

কাজের প্রকৃতিঃ খাল খনন, নদী-খাল সংরক্ষন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, স­ুইচ গেট নির্মান ও ব্রীজ কালভার্ট নির্মান।

 

দীর্ঘ মেয়াদী (১২ বছর)

(২০১০-২০২১)

১। খুলনা মহানগরীতে নাগরিক সুবিধার লক্ষ্যে ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প। (সবুজ পাতায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছে)।

প্রকল্প ব্যয়ঃ ১৭০০০.০০ লক্ষ টাকা।

 

কাজের প্রকৃতিঃরাস্তা, বস্তি উন্নয়ন, সুইপার কলোনী ও ফুটপাত নির্মাণ, বাস টার্মিনাল নির্মান, শপিং মল ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ।

২। পুরাতন কবরখানা সম্প্রসারন, নতুন কবরখানা নির্মান ও শশ্মান ঘাটের উন্নযন (সবুজ পাতায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছে)।

প্রকল্প ব্যয়ঃ ১১০০.০০ লক্ষ টাকা।

কাজের প্রকৃতিঃ ভূমি অধিগ্রহন, ভূমি উন্নয়ন ও বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ।

 

৩। পাইকারী কাঁচা বাজার ও আধুনিক কসাইখানা নির্মাণ (সবুজ পাতায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছে)

প্রকল্প ব্যয়ঃ  ২৪০০.০০ লক্ষ টাকা।

কাজের প্রকৃতিঃ ভূমি অধিগ্রহন, ভূমি উন্নয়ন, বাউন্ডারী ওয়াল নির্মান, ভিত অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয় ও ট্রিটমেন্টপ্ল্যান্ট স্থাপন।

 

        

 


 

 

 

রুপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা

(যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

মন্তব্য

³   পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমঃ-

১.  জাতীয় স্যানিটেশন মাস উদযাপন উপলক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে।

২.  কাঁচা পায়খানা উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত আছে।

৩. ড্রেন পরিস্কার

৪. রাস্তা ঝাড়ু

৫.  পাবলিক ল্যাট্রিন ও কেসিসি’র স্থাপনা সমূহ পরিস্কার-পরিচ্ছন্নকরন

৬. সেপ্টিক ট্যাংকির ময়লা অপসরন

৭.  খুলনা সিটি কর্পোরেশনে ০৫, ১০, ২০ ও ২৯ নং ওয়ার্ডের সলিড ওয়েষ্ট ম্যানেজমেন্ট কার্যক্রম ঠিকাদারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

৮.           মশার লার্ভা ও উড়ন্ত মশা নিধন কল্পে মশক নিধন ঔষধ লার্ভিসাইড, এ্যাডাল্টিসাইড ও লাইট ডিজেল অয়েল ব্যবহার করা হচ্ছে।

৯.কোরবাণীর রক্ত বর্জ্য স্থানে বি­চিং পাউডার ছিটানো হয়েছে।

 

³   বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমঃ-

১.  গার্বেজ অপসরনঃখুলনা মহানগরীতে প্রতিদিন প্রায় ৫২০ মেঃ টনের উর্দ্ধে আবর্জনা উৎপন্ন হয় এবং তা রাজবাধ ট্রেন্সিং গ্রাউন্ডে অপসারন করা হয়।

 

২.   ক্লিনিক্যাল বর্জ্য অপসারনঃমহানগরী এলাকার প্রত্যেকটি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে ক্লিনিক্যাল বর্জ্য এনজিও’র মাধ্যমে অপসারণ করা হয়ে থাকে।

 

শতভাগ

 

 

 

 

 

 

 

 

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন, বরিশাল

ক্রমিক নং

প্রতিবেদন

মন্তব্য

রূপকল্প ২০২১ বাসত্মবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সমীবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

০১।

সড়ক নির্মাণ, পুনঃ নির্মাণ, মেরামত, পাকা ড্রেন নির্মাণ, ফুটপাথ নির্মাণ, ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণ,

বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পর গত ২ বছরে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক ৬৮ কি.মি. রাসত্মা ২৫ কি.মি. ড্রেন, ১৫ কি.মি. ফুটপাত,৭২ মিটার ব্রিজ ও ২৫টি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ৪৮ কি.মি. রাসত্মা এবং ১২ কি.মি.ড্রেন সংস্কার / পুনঃ নির্মাণ করা হয়েছে। বরিশাল মহানগরীর রাসত্মারসমূহ প্রয়োজনের তুলনায় কম চওড়া থাকার কারনে প্রতিনিয়ত শহরে যানজট লেগে থাকত। বর্তমান সরকারের আমলে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান মেয়র এ্যাড. শওকত হোসেন হিরন মহোদয়ের প্রচেষ্টায় যানজট নিরসনের লক্ষে্যমহানগরীর সরম্ন রাসত্মাসমূহ প্রশসত্ম করণ এবং জলাবদ্ধতা সুষ্ঠভাবে নিরসন ও জনসাধারণের চলাচলের সুবিধার্থে রাসত্মার পাশে ড্রেন ও ফুটপাত নির্মাণ কাজ হাতে নেওয়া হয়। গত ২ বছরে  ইতোমধ্যেই বরিশাল মহানগরীর সদর রোড, চকবাজার রোড, নজরম্নল ইসলাম সড়ক, স্ব-রোড, শায়েসত্মাবাদ রোড, নবগ্রাম রোড, বিএম কলেজ রোড, ক্লাব রোড, কালীবাড়ি রোড, নাজির মহলস্না, গোড়াচাঁদ দাস রোড, আলেকান্দা রোড, বগুড়া রোড, জালিয়া বাড়ি সড়ক, টিয়াখালী রোডসহ গুরূপূর্ণ অনেক রাসত্মা প্রশসত্ম করণ এবং পূনঃ নির্মাণসহ ফুটপাথ নির্মাণ করা হয়েছে। যার ফলে শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পানি নিঃষ্কাশনের সুব্যবস্থা সহ জনসাধারণের চলাচল সহজ হয়েছে।

চাহিদা অনুযায়ী সরকারী সহায়তা/ বরাদ্দ না পাওয়ার কারনে রূপকল্প ২০২১ বাসত্মবায়ন

কাজের অগ্রগতি লÿ্য অনুযায়ী হচ্ছে না।

 

রূপকল্প ২০২১ বাসত্মবায়নে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রম বাসত্মবায়নের জন্য ৮টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে ডিপিপি দাখিল করা হয়েছে। যাহা অনুমোদনের প্রক্রিয়াধীন।

 

০২।

উৎপাদক নলকূপ, সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট পস্নান্ট স্থাপন, উৎপাদক নলুকূপ স্থাপন ৫০কিমি. পাইপ লাইট ও জেনারেটর স্থাপন। 

বর্তমানে ১ কেটি গ্যালন পানি চাহিদা বিদ্যামন বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পর দৈনিক প্রায় ৭লক্ষ্য গ্যালন পানি বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২০১১ সালের মধ্যে আরও ১৫ লক্ষ্য গ্যালন পানি দৈনিক হারে বৃদ্ধি করা হবে।  ৬৬%

 

 

 

০৩।

২০০৮ পর্যমত্ম ৬০০৭টি স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা স্থাপন করা হয়েছে।

পরিবার সংখ্যা- ৩৬৭৬৩টি

এ যাবত স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা স্থাপন ৩১,৭৩৮টি, শতকরা হার-৮৬.৩৩

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

            তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশশলী         প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

              বরিশাল সিটি কর্পোরেশন                                                                                               বরিশাল সিটি কর্পোরেশন

                           বরিশাল।                                                                                                                           বরিশাল।

 

 

লক্ষ টাকায়

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন

 

ক্র/নং

প্রতিবেদন

 

মন্তব্য

রুপকল্প ২০১০ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা

(যদি থাকে)

সীমবদ্ধ উত্তরণে

গৃহীত পদক্ষেপ

ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

০১.

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কর্মকান্ড (সংশ্লিষ্ট অংশ) (http//www.albd.org autoalbd/index.php

 

 

 

 

 

১। সড়ক নেটওয়ার্কে গ্রাম-ইউনিয়ন উপজেলা ও জেলা সদরকে সংযুক্ত করার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

 

 

নগরীর কেন্দ্রস্থলে ট্রাফিক জ্যাম নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিভিন্ন মোড় প্রশস্তকরণ।

 

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নিয়মিত কর্মসূচী থোক্ বরাদ্দের আওতায় সড়ক উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ পরিকল্পিতভাবে বাস্তবায়নের ফলশ্রুতিতে নগর এলাকায় স্বাচ্ছন্দ্য যাতায়াত ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। প্রধানতঃ সরকারের বাৎসরিক থোক বরাদ্দ এবং বিভিন্ন প্রকল্পের বিপরীতে প্রাপ্ত অর্থ দ্বারা মহানগরীতে প্রায় ৩৪৫ কিলোমিটার বিস্তৃত নতুন সড়ক ও বর্তমান সড়কের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ নিয়মিতভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বর্তমান মহাজোট সরকার দায়িত্বভার গ্রহণের পর নিয়মিত সড়ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি ক্রমবিকশমান নগরায়ন ধারার সামঞ্জস্যপূর্ণ সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে সরকারের এডিপিভূক্ত প্রকল্পের আওতায় নগর এলাকায় আধুনিক মানের এ্যাসফল্ট কার্পেটিং সড়ক সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে। এছাড়াও নিরাপদ যানবাহন চলাচল ও যানজটমুক্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রকল্পের আওতায় মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার রাস্তা ও রাস্তার অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ     বাস্তবায়নাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমান মহাজোট সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণের পর সড়ক ও সড়ক কাঠামো নির্মাণে বাস্তবায়িত/বাস্তবায়নাধী

 

 

 

 

 

সরকারের নিয়মিত থোক বরাদ্দঃ

২০০৮-২০০৯ -  ৫২.২৬

২০০৯-২০১০  - ১০৩.৮৮

২০১০-২০১১ - ৩২.৪১ (অক্টোবর/১০ পর্যন্ত ব্যয়)

এডিপিভূক্ত অনুমোদিত প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দঃ

২০০৮-২০০৯ -  ৩০১.১৯

২০০৯-২০১০ -  ৫২২.১১

২০১০-২০১১ - ৮৩৫.০০ (অক্টোবর/১০ পর্যন্ত ব্যয়)

২। পয়ঃনিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নঃ

 

ক্রমবিকাশমান নগরায়নে মহানগরীতে নতুন সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি পয়ঃনিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাঠামো নির্মাণ জনসাধারণের মৌলিক চাহিদা। সে প্রেক্ষিতে রাজশাহী মহানগরী এলাকায় স্থায়ী পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা ইতিমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রণীত মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী ১৮০.০০কি.মি. বিস্তৃত পর্যায়ক্রমে মহানগরীর সকল কাঁচা নর্দমা পাকা করণ করা হচ্ছে। বর্তমান মহাজোট সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণের পর পয়ঃনিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে বাস্তবায়িত/বাস্তবায়নাধীন।

 

সরকারের নিয়মিত থোক বরাদ্দঃ

২০০৮-২০০৯ -  --

২০০৯-২০১০  - ৪০.০০

২০১০-২০১১ - --

 

এডিপিভূক্ত অনুমোদিত প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দঃ

২০০৮-২০০৯ -  ১২৯.৪৭

২০০৯-২০১০ -  ৩৬৫.৬৪

২০১০-২০১১ - ৩২.৫০ (অক্টোবর/১০ পর্যন্ত ব্যয়)

 

মাঝারী শহর সমম্বিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দঃ

২০০৮-২০০৯ -  ১৫৯৫.০৪

২০০৯-২০১০ -  ৮১৫.৪০

২০১০-২০১১ - --

 

 

 

 

 

৩। আর্থ সামাজিক উন্নয়নঃ

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন জনসাধারণের চাহিদা অনুযায়ী সামাজিক, ধর্মীয় ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করছে। গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রতিষ্ঠানসমূহের অবকাঠামোগত সুবিধাদি থোক্ বরাদ্দের আওতায় নিয়মিতভাবে নির্মাণ করছে। মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের অবকাঠামো উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বাস্তবায়ন কাজ করছে। বর্তমান মহাজোট সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণের পর আর্থ সামাজিক উন্নয়নে বাস্তবায়িত/বাস্তবায়নাধীন

সরকারের নিয়মিত থোক বরাদ্দঃ

২০০৮-২০০৯ -  --

২০০৯-২০১০  - ২৫০.০০

২০১০-২০১১ - --

 

 

 

 

২। বিজ্ঞান সম্মত উপায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে। 

৪।  বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নঃ

রাজশাহী মহানগরীতে প্রতিদিন প্রায় ২৮০ মেট্রিক টন বর্জ্য সংগৃহীত হয়। সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় প্রায় ২৮০ মেট্রিক টন বর্জ্য বিভিন্ন স্থান হতে সংগ্রহ করতঃ নিজস্ব পরিবহনের মাধ্যমে নিজস্ব আবর্জনা আধারে ডাম্পিং করা হয়। যান্ত্রিকভাবে আবর্জনা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার লক্ষ্যে আধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হয়েছে। আধুনিক পদ্ধতিতে বর্জ্য সংগ্রহ ও ডাম্পিং করণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাপ্ত বর্জ্য হতে যেন দুর্গন্ধ না ছড়াতে পারে সে লক্ষ্যে মহানগরীতে রাত্রিকালীন অপসারণ কাজ বিগত জুন/২০০৯ হতে শুরু করা হয়েছে। এ কার্যক্রমে দুর্গন্ধময় পরিবেশ হতে মহানগরী রক্ষা পেয়েছে। এছাড়াও প্রাপ্ত বর্জ্য হতে জৈব সার, রান্নার গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে কম্পোষ্টিং প্ল্যান্ট স্থাপন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমান মহাজোট সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণের পর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাস্তবায়িত/বাস্তবায়নাধীন

এডিপিভূক্ত অনুমোদিত প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দঃ

২০০৮-২০০৯ -  ৪২১.২০

২০০৯-২০১০ -  ৬২.৪৫

২০১০-২০১১ - ==

 

 

 

 

৩। ২০১১ সালের মধ্যে দেশের সকল মানুষের জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা হবে।

 

ক) পাইপ লাইন নেটওয়ার্ক স্থাপন

খ) উৎপাদক নলকুপ স্থাপন

গ) সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণ

ঘ) হস্তচালিত নলকূপ স্থাপন

ঙ) পাইপ লাইন নেটওয়ার্ক পূনঃস্থাপন ও ওয়াস আউট নির্মাণ

চ) পানির গৃহ সংযোগ মিটার সংযোজন

৫।  সুপেয় পানি সরবরাহঃ

রাজশাহী মহানগরী এলাকায় পানি সরবরাহের কাভারেজ ৮২%। ক্রমবর্ধমান জনসাধারণের চাহিদার দিকে দৃষ্টি রেখে মহানগরীতে সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করণে পাইপ লাইনের মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ কাভারেজ বৃদ্ধি করণের পর্যায়ক্রমে স্কীম/প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভূ-গর্ভস্থ উৎপাদক নলকূপের মাধ্যমে অব্যহতভাবে পানি উত্তোলনের প্রেক্ষিতে পানির লেভেল ক্রমান্বয়ে নিচে নেমে যাচ্ছে। ফলে খরা মৌসুমে অনেক উৎপাদক নলকূপ ও হস্তচালিত নলকূপ হতে পানি উত্তোলন করা সম্ভবপর হচ্ছে না। সে প্রেক্ষাপটে পদ্মা নদীর পানি শোধন করে মহানগরীতে সুপেয় পানি সরবরাহের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। গৃহীত পরিকল্পনা মতে ২টি ভূ-উপরিস্থ পানি শোধনাগার নির্মাণ কাজ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে ‘‘রাজশাহী মহানগরীতে পানি সরবরাহ প্রকল্প (২য পর্যায়)’’শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়নাধীন পর্যায়েরয়েছে। মহানগরীতে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নয়নে বর্তমান মহাজোট সরকার বিগত আগষ্ট/১০ মাস হতে রাজশাহী ওয়াসা প্রতিষ্ঠান করেছে। নব-গঠিত ওয়াসার কার্যক্রম মুরু হয়েছে। বর্তমান মহাজোট সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণের পর সুপেয় পানি সরবরাহ খাতে বাস্তবায়িত/বাস্তবায়নাধীন

 

সরকারের নিয়মিত থোক বরাদ্দঃ

২০০৮-২০০৯ -  ৩৬.০০

২০০৯-২০১০- ১০৬.০০

২০১০-২০১১ - --

 

এডিপিভূক্ত অনুমোদিত প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দঃ

২০০৮-২০০৯ -  ২৩৫২.৬০

২০০৯-২০১০ -  ৬৭৭.০৮

২০১০-২০১১ - ==

 

সম্পাদিতঃ

ক) ৮টি উৎপাদক  নলকূপ স্থাপন

খ) ২০০টি হস্তচালিত  নলকূপ স্থাপন

গ) ১৫কিঃমিঃ পাইপ লাইন স্থাপন

ক) দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পণা গ্রহণের ক্ষেত্রে আর্থিক অপ্রতুলতা

খ) নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতি

গ) পানির উৎস হিসাবে সকল মৌসুমে পরিবেশ উপযোগী ভূ-উপরিস্থ পানির ঘাটতি

ঘ) পানির ট্যারিফ কম হওয়ায় রাজস্ব আয়ের স্বল্পতা।

ক)এডিপি অর্থায়নে প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।

খ) স্থানীয় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সহয়োগিতায় সর্বোচ্চ পরিচালনা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা

গ) পানি উৎস হিসাবে ভূ-গর্ভস্থ ও ভূ-উপরিস্থ যৌথ ব্যবহারের পরিকল্পণা গ্রহণ

ঘ) রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে পানির ট্যারিফ বৃদ্ধিসহ মিটার সংযোজন পরিকল্পণা গ্রহণ।

গত ১লা আগষ্ট ২০১০ থেকে রাজশাহী ওয়াসার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে ওয়াসা স্বাধীনভাবে পরিচালনা করবে।

 

 

প্রক্রিয়াধীণঃ

ক) উৎপাদক নলকূপ স্থাপন : অগ্রগতি ৩৪ % (০৯টি চালু করা হয়েছে।)

খ) সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন অগ্রগতি ৯০% (বৈদ্যুতিক সংযোগ কাজ অবশিষ্ট আছে)

গ) পাইপ লাইন স্থাপন/ পূনঃস্থাপন: অগ্রগতি ৮৪% (৩৮কিঃমিঃ স্থাপন করা হয়েছে)

ঘ) ক্লোরিনেটর সংযোজন: অগ্রগতি ১৬% (১০টি সংযোজন করা হয়েছে)

ঙ) গৃহসংযোগ মিটার সংযোজন : অগ্রগতি ৫০% ( সরবরাহ কাজ শেষ হয়েছে, স্থাপন কাজ অবশিষ্ট আছে)

চ) হস্তচালিত নলকূপ স্থাপনঃ ডিজাইন ও প্রাক্কলন প্রনয়নের কাজ চলছে।

 

 

 

 

৪। ২০১৩ সালের মধ্যে প্রতিটি বাড়ীতে স্বাস্থ্য সম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।

৬।  স্যানিটেশন কার্যক্রমঃ

রাজশাহী মহানগরী এলাকায় স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বর্তমানে ৯২%। অস্বাস্থ্যকর ল্যাট্রিন ব্যবহারের চিহ্নিত স্থানসমূহে আরসিসি’র নিয়মিত কর্মসূচী এবং বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় আগামী জুন/২০১১ সালের মধ্যে শতভাগ স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন ব্যবহারের সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে স্কীম/প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমান মহাজোট সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণের পর স্যানিটেশন কার্যক্রম বাস্তবায়িত/বাস্তবায়নাধীন

UPPRপ্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দঃ

২০০৮-২০০৯ -  ৯৩.৯৯

২০০৯-২০১০ -  ১০৯.৬৫

২০১০-২০১১ - ৬২.০৩

 

৭। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপ প্রকল্পঃ

পরিবর্তীত পরিস্থিতিতে অর্থের সংস্থান করণে মহাজোট সরকার পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপ-এর মাধ্যমে বড় অংকের ব্যয় সম্বলিত অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। সরকারের উক্ত কার্যক্রমের সাথে সামঞ্জস্য রেখে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নিম্নবর্ণিত ৩টি প্রকল্প পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপ-এর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করছে।

(ক) রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব ভূমি সোনাদীঘি এলাকায় ১৬ তলা বিশিষ্ট ‘সিটি সেন্টার’শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণ  ৩৪০০.০০

(খ) রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব ভূমি কাদিরগঞ্জ এলাকায় ৮ তলা বিশিষ্ট ‘স্বপ্ন চূড়া’বানিজ্যিক ভবন নির্মাণ

১১০০.০০

(গ) রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব ভূমি নিউমার্কেট এলাকায় ৮ তলা বিশিষ্ট ‘দারুচিনি’বানিজ্যিক ভবন নির্মাণ

৩৩০০.০০

গ্রাম থেকে নগরীতে মাইগ্রেশন ও নতুন বসতী স্থাপন।

১।  জরীপ কার্যক্রম  অব্যাহত।

২। নতুন বস্তি নির্মানে নিরুৎসাহিত করা।

৩। নতুন ল্যাট্রিন  স্থাপন ও সংস্কার।

২০০৯-১০অথ বছর পর্যন্ত রাজশাহী মহানগরীর স্যানিটেশন কভারেজ ৯২.৯৭%। আগামী ২০১১ সালের জুন মাসের মধ্যে ১০০% অর্জনের টার্গেট আছে।

০২.

সংস্থার নিজস্ব কর্ম-পরিধি অনুসারে জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ড (এডিপিভূক্ত প্রকল্প সহায়তা ব্যতীত)।

এডিপিভূক্ত প্রকল্প সহায়তা ব্যতীত রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নিয়োমিত থোক্ বরাদ্দ -এর আওতায় বিগত অর্থ বছরে নিম্নবর্ণিত জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের হয়েছে।

 

* সড়ক নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ/রক্ষণাবেক্ষণ                          - ২৩.০০  কিঃমিঃ

* নর্দমা নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ           - ১১.০০ কিঃমিঃ

* আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন - ৫ টি

* সড়ক আলোকায়ন - ৩০০ টি

* উৎপাদক নলকূপ স্থাপন- ৪ টি

* বৃক্ষরোপণ - ৭.০০ কিঃমিঃ

উল্লিখিত জনকল্যাণমূলক কাজে বিগত অর্থ বছরে মোট ৫৩৬.৮৮ লক্ষ টাকা ব্যয়িত হয়েছে।

 

 

 

০৩.

সংস্থার নিজস্ব কর্ম-পরিধি অনুসারে জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ড (এডিপিভূক্ত প্রকল্প সহায়তায়)।

এডিভূক্ত রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মোট ৪টি প্রকল্পের আওতায় বিগত অর্থ বছরে সংশোধিত বরাদ্দ ছিল ৪০৮৫.০০ লক্ষ টাকা। উক্ত ৪টি প্রকল্পের আওতায় নিমণবর্ণিত জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে।

*সড়ক নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ/রক্ষণাবেক্ষণ-৬.৫০ কিঃমিঃ

*নর্দমা নির্মাণ -৮.০২ কিঃমিঃ

* বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ - ১৪১৮.০০ মিটার

* কালভার্ট নির্মাণ -৭৩.০০ মিটার

* সড়ক নির্মাণে যন্ত্রপাতি ক্রয় ও স্থাপন- ৬টি

* ওয়াকওয়ে নির্মাণ -৮.৪০ কিঃমিঃ

* গার্ডসেড নির্মাণ- ১০ টি

* শশ্মান ঘাট উন্নয়ন- ১টি

* পানি সরবরাহ পাইপ লাইন স্থাপন -১৫.০০ কিঃমিঃ

* উঃপাদক নলকূপ স্থাপন -৮টি

 

 

 

০৪.

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে গৃহীত কর্মকান্ড।

৮।  ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেবা সরবরাহঃ

বর্তমান সরকারের গৃহীত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়েতোলার কার্যক্রমে সাথে সামঞ্জস্য রেখে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন  কর্তৃক প্রদত্ত সকল সেবা ডিজিট্যাল পদ্ধতিতে তড়িৎ প্রদানের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। ইতিমধ্যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ই-রাজশাহী শিরোনামে ওয়েব সাইড চালু করেছে। ডিজিট্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সকল সেবা ওয়ান ষ্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে প্রদান করা হচ্ছে। কম্পিউটারাইজড্ পদ্ধতিতে ওয়ান স্টপ সার্ভিস পরিচালনা করে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সেবা কার্যক্রমে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। আধুনিক কর্মপন্থার প্রবর্তন করেছে। বর্তমান মহাজোট সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণের পর সিটি কর্পোরেশনের সকল সেবাসমূহকে বিকেন্দ্রীকরণ করে ওয়ার্ড ভিত্তিক কম্পিউটারাইজড্ পদ্ধতিতে নাগরিক সেবা কার্যক্রম প্রদানের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারের সহযোগিতায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক গৃহীত সকল উন্নয়নমূলক কার্যক্রম-এর তথ্য ই-রাজশাহী ওয়েব সাইডের মাধ্যমে সারা দেশে তথ্য প্রদান করা হচ্ছে। এতে করে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের কর্মকান্ডের স্বচ্ছতা ও জবাবদীহিতা ভিত্তিক জনপ্রশাসন গড়ে উঠেছে।

৯।  পরিচ্ছন্নতাঃ

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধনের মতো সংবেদনশীল নাগরিক সেবা সরবরাহের কার্যক্রম বিগত কয়েক বছর হতে স্থবিরতা অবস্থায় ছিল। বর্তমান নির্বাচিত পরিষদ ক্ষমতা গ্রহণের পর এবং মহাজোট সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণের পর ওয়ার্ড পর্যায়ে পচ্ছিন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। মহানগরীর পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত রাখার জন্য নিয়োজিত পরিচ্ছন্ন কর্মীগণ নর্দমা পরিষ্কার করা ও সড়কসমূহ পরিষ্কার করা কাজ নিয়মিতভাবে করা হচ্ছে। নর্দমাগুলির পানি নিষ্কাষণ প্রবাহ স্বচল রাখার জন্য দীর্ঘদিন হতে জমে থাকা কাদামাটি অপসারণ করা হয়েছে। নিয়মিতভাবে ওয়ার্ড পর্যায়ে মশক নিধন কাজ করা হচ্ছে।

 

 

 

 

 

 

১০।  প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যাঃ

স্থানীয় সরকার বিভাগের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন আরবান প্রাইমারী হেলথ্ কেয়ার প্রজেক্টে-২ এর আওতায় প্রাইমারী হেলথ্ কেয়ার সেন্টার-এর মাধ্যমে মহানগরীতে প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায়প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা, ইপিআই কার্যক্রম, হেপাটাইটিস্-বি টিকা, গোদ ও কৃমি’র প্রতিশেধক প্রদান, শিশুর স্বাস্থ্যগত বিকাশ এবং মা ও শিশুর পরিচর্যা ইত্যাদি মৌলিক সেবাগুলো উক্ত প্রকল্পের আওতায় সরবরাহ করা হচ্ছে।বর্তমান মহাজোট সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণের পর সেবা কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। নগর প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা কেন্দ্রসমূহে দরিদ্র জনসাধারণকে বহুমুখী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়োমিতভাবে প্রদান করা হচ্ছে।

 

 

 

       

 

০৫.

প্রত্যক্ষভাবে দারিদ্র নিরসন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি সংশ্লিষ্ট কর্মকান্ড।

১১।  দারিদ্র নিরসনঃ

রাজশাহী মহানগরীর হৃত দরিদ্র জনসাধারণকে ঋণ বিতরণ কর্মসূচীর মাধ্যমে আয় ও কর্মসংস্থান এবং অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দারিদ্র নিরসনে প্রকল্প   বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমান মহাজোট সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণের পর দারিদ্র নিরসনে নিম্নবর্ণিত কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে।

(ক) হৃত দরিদ্রগণকে সাবলম্বী করণে ঋণ প্রদান -  ১১১৭.৬৪

(খ) বেকারত্ব দূরীকরণে প্রশিক্ষণ প্রদান -     ৫৬.৯৩

(গ) প্রতিবন্ধিদের প্রশিক্ষণ প্রদান                 - ৩.২৯

১২।  বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমঃ

বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন অগ্রণী ভূমিকা পালনকরছে। মহানগরীতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের ফলশ্রুতিতে গড় তাপমাত্রা হ্রাস, বৃষ্টিপাত, ভূগর্ভস্থ পানির প্রাপ্যতা ইত্যাদির ইতিবাচক পরিবর্তন সাম্প্রতিককালে পরিলক্ষিত হয়েছে। এছাড়াও প্রতিবছরে মহানগরীর স্কুল গুলোতে বিতরণ করা হয়েছে। বর্তমান মহাজোট সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণের পর দারিদ্র নিরসনে গৃহীত কার্যক্রম

 

সরকারের নিয়মিত থোক বরাদ্দঃ

২০০৮-২০০৯-  ৫.৬০

২০০৯-২০১০ -  ৮.৫৬

২০১০-২০১১- ৬২.০৩

 

১৩।  অন্যান্য প্রকল্প/স্কীমঃ

বর্তমান মহাজোট সরকার দায়িত্বভার গ্রহণের পর এডিপিভূক্ত নিম্নবর্ণিত স্কীমসমূহ বাস্তবায়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। (প্রকল্পের সড়ক নির্মাণ/প্রশস্তকরণে ভূমি অধিগ্রহণ।

 

 

 

 

 

ফুটপাথ নির্মাণ

ট্রাফিক কাঠামো নির্মাণ

নিরাপদ বেষ্টনী নির্মাণ

সড়ক রক্ষণাবেক্ষণে যন্ত্রপাতি ক্রয়

ফুট ওভার ব্রীজ নির্মাণ)

 

এডিপিভূক্ত অনুমোদিত প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দঃ

২০০৮-২০০৯ -  ১৩৬৫.২৩

২০০৯-২০১০ -  ১৯২২.৭৩

২০১০-২০১১ - ==

 

 

 

 

ক্র/নং

প্রতিবেদন

 

মন্তব্য

রুপকল্প ২০১০ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা

(যদি থাকে)

সীমবদ্ধ উত্তরণে

গৃহীত পদক্ষেপ

ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

 

০৫.

সেকেন্ডারী টাউন্স ইন্টিগ্রেটেড ফ্লাড প্রটেকশন (ফেজ-২) প্রকল্পের কর্মকান্ড।

STIFPP/LGED/ RCC/07/DW-01

Construction of RCC drain from Serial No. (a) to (s) as described in IFT. Tk- 494.7207- 100%

STIFPP/ LGED/ RCC/ 07/DW-02 

Construction  of  drain from Exist.Kazla Drain to Satbaria Khal(Ch.0+000 to 4+350m)  incl. 4 nos. drainage Box culvert at ch.1+100,2+070,2+700,3+600

Tk- 511.0176- 100%

 

OPEC-এর অর্থের অংশ না পাওয়া।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষকে  অনুরোধ করা যেতে  পারে।

 

 

 

STIFPP/ LGED/ RCC/ 07/DW-03

Improvement of Satbaria Khal starting from BWDB Bundh to Kismot Kukhandi Road  (Ch: 0+000 to 3+650m) including 8 Nos. drainage Box Culvert at Ch: 0+550m,0+925m, 1+150m, 2+260m, 2+530m, 2+800m, 2+850m and 3+650m Rajshahi City Corporation, Rajshahi.

Tk-558.8530- 100%

 

 

 

 

 

STIFPP/LGED/ RCC/08/EW-01

(a) Public Toilet at Shal Bagan Katcha  Bazar (Shifted to Central Park).

(b) Public Toilet at Nawdapara Bazar. and

(c) Public Toilet at Rajshahi Central Park,

Tk- 316.9311- 100%

 

 

 

 

 

STIFPP/LGED/RCC/08/DW-04

(a) A. Khaleq's House to City Bypass Road

(b) Construction of  RCC  Cross  drain at Ch. 0+00 & 0+150m

(c) Ch.0+710&Ch.0+915m,

(d)Ch.1+310m,Ch.1+500m, Ch.1+ 810m  & Ch.2+585m

Tk-341.4115-100% 

 

 

 

 

 

 

STIFPP/LGED/RCC/08/DW-05

(a) Construction of Kalpona Khal starting from existing RCC Kalpona drain to junction point of Kalpona-Kharbona Khal.

(b) Construction of Kharbona drain starting from existing     RCC Kharbona drain to junction point of Kalpona-Kharbona Khal.

(c) Construction of Futkipara drain starting from Moon     light to Ganok para mour.

(d) Construction of RCC drain from UCFP school to bypass Primary drain .

(e) Construction of RCC drain  from Boshpara Tatultola Akber house to Ahomadpur Mosque.

Tk- 286.8661-100%

 

 

 

 

 

STIFPP/LGED/RCC/08/DW-06

(a) Construction of  RCC  U-Drain  over  Chalna Khal starting from Chalna sluice gate to Keshobpur drain via City Bypass.

(b) Construction of  RCC  Cross  drains  over  chalna  Khal  starting  from Chalna  sluice  gate to Keshobpur drain via City Bypass,

Tk- 493.6745-100%

 

 

 

 

 

STIFPP/LGED/RCC/09/DW-07

Cleaning work of  Pacca Drains from Serial No.(01) to (16) as described in IFT

Tk- 709.9976-100%

 

 

 

 

 

STIFPP/LGED/RCC/09/DW-08

Construction of 8 Nos  RCC drain from Serial No. (a) to (h) as described in IFT.

Tk- 440.6289- 98.15%

 

 

 

 

 

STIFPP/LGED/RCC/09/DW-09

Construction of 6 Nos RCC drain from Serial No. (a) to (f) as described in IFT.

Tk- 482.4219- 84%

 

 

 

 

 

STIFPP/LGED/RCC/09/DW-10

Construction of 7 Nos RCC drain from Serial No. (a) to (g) as described in IFT.

Tk- 227.1714- 98%

 

 

 

 

 

STIFPP-II/LGED/ RCC/09/EW-02.

Construction of Two Storied Public Toilet at New Market, Rajshahi City Corporation Rajshahi.

Tk- 277.4724-100%

 

 

 

 

 

STIFPP-II/LGED/ RCC/10/DW-11

Construction of 8 Nos RCC drain from Serial No. (a) to (h) as described in IFT.

Tk- 302.2152-25.89%

 

 

 

 

ক্র/নং

প্রতিবেদন

 

মন্তব্য

রুপকল্প ২০১০ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা

(যদি থাকে)

সীামবদ্ধ উত্তরণে

গৃহীত পদক্ষেপ

ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

 

৬. রাজশাহী মহানগরীর আলোকায়ন উন্নয়ন।

(ক) মহানগীর প্রবেশদার দেওয়ান পাড়া হতে কাশিয়াডাঙ্গা পর্যন্ত আলোকায়নের উদ্দ্যেশে হাই প্রেসার বাতি স্থাপনে মালামাল সরবরাহ।

টাকা ১.৮০- ১০০%।

 

(খ) মহানগীর ২০০টি মোড়ে এনার্জী সেভিং বাতি স্থাপনে মালামাল সরবরাহ। টাকা ১.৮০- ১০০%।

 

(গ) ২০০টি মোডে এনার্জী সেভিং বাতি স্থাপনে  জি আই পাইপ ও ক্লাম্প সরবরাহ। টাকা ৪.৭৭ - ১০০%।

 

(ঘ) বিভিন্ন ওয়াটের এনার্জী সেভিং বাতি সরবরাহ।

টাকা ৬.৩৫-১০০%

 

(ঙ) সিউকুরিটি ক্যামেরা  সরবরাহ ও স্থাপন। টাকা৪,৭৫,৪০০.০০- ১০০%

 

(চ)মোটাল হ্যালাইড বাতির সেড মেরামতে মালামাল সরবরাহ

টাকা ৩.৫৩-১০০%

 

(ছ) সড়ক বাতির, মেইন সুইচ, টাইমার ইত্যাদির নিরাপত্তা বাক্স সরবরাহ ।

টাকা ৩.০০- ১০০%

 

(জ) ৬০ ধিঃঃঁহমংঃবহ ভরষধসবহঃ বষবপঃৎরপ নঁষন সরবরাহ ।

টাকা ৯.২০- ১০০%

 

(ঝ) ৩০-৩২ ওয়াটের এনার্জী সেভিং বাতি সরবরাহ।

টাকা ১.৯৪- ১০০%

 

(ঞ) ব্যকেলাইট হোল্ডার (ব্রাকেট/পেনডেন্ড/বেটেন)২০০০ ডজন সরবরাহ ।

টাকা ৪.২৫-১০০%

 

(ট) বিভিন্ন প্রকার তার ও ক্যাবল সরবরাহ ।

টাকা ৪.৯৯- ১০০%

 

 

 

 

 


Share with :

Facebook Twitter